- এই মুহূর্তে
- জুলাই ১, ২০২২
মণিপুরে ধস, মৃত ১৪ । টানা বৃষ্টিতে মুম্বইয়ে ব্যাহত যান পরিষেবা।
অঞ্চলভেদে বৃষ্টিপাতের ব্যাপক বৈষম্য। উত্তর-পূর্বে অতিরিক্ত এবং উত্তর-পশ্চিমে শুষ্ক আবহাওয়া অব্যাহত । মৌসম ভবন জানাচ্ছে ভারতে জুন মাসে ‘স্বাভাবিক’ বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরইমধ্যে গতকাল, জুনের শেষ দিনে অর্থাৎ ৩০ তারিখে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু দিল্লি প্রবেশ করেছে।
এবার ধীরগতিতে অগ্রসর হচ্ছে বর্ষার বাতাস। বৃহস্পতিবার, রাজস্থানের একটি বড় অংশ এবং পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কিছু অংশ বাদে দেশের বাকি অংশ জুড়েছিল মৌসুমী বায়ু।এরইমধ্যে টানা বৃষ্টির জেরে মণিপুরে দুর্যোগ পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ভূমিধসের ঘটনায় ৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে । এখনও নিখোঁজ বহু মানুষ। গত কয়েকদিন ধরে অবিরাম বৃষ্টির কারণে মণিপুরের নোনি জেলায় ব্যাপক ভূমিধসের পর সাতজন টেরিটোরিয়াল আর্মি কর্মী সহ কমপক্ষে আটটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের উদ্ধারকারী সংগঠনগুলির তৎপরতা জারি থাকায় কমপক্ষে ২৩ জন আহত মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত আরও ৫১ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে যার মধ্যে ১৪ জন মারা গিয়েছে। আরও মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলছে খোঁজ।
ভূমিধসের কারণে নদীর উপর নির্মিত বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনার কারণে প্রশাসন নদীর ভাটিতে বসবাসকারী বেসামরিক নাগরিকদের সরে যেতে সতর্ক করেছে। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন. বীরেন সিংও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃতদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০,০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে৷অন্যদিকে মুম্বইতেও চলছে লাগাতার বৃষ্টি । মরশুমের প্রথম ভারী বৃষ্টিতে ট্রেন ও বাস পরিষেবা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সেখানে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ের ট্রেন এবং বাস পরিষেবাগুলি ভারী বৃষ্টিতে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল৷ মরসুমের প্রথম ভারী বর্ষণের কারণে বেশ কয়েকটি নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে৷
হিন্দমাতা, পারেল, কালাচৌকি, হাজি আলি, ডকইয়ার্ড রোড, গান্ধি মার্কেট এবং বান্দ্রার মতো এলাকায় বেশ কয়েকটি রাস্তা জলমগ্ন হয়ে পড়ায় রাস্তায় ধীরগতিতে যানচলাচল শুরু হয়। বিঘ্নিত হয় মুম্বইয়ের লাইফলাইন, লোকাল ট্রেনের চলাচলও।ট্র্যাকে জল জমে যাওয়ার কারণে বেশ কিছু রুটে ট্রেন বন্ধ রাখতে হয়। বিশেষ করে মধ্য রেলওয়ে লাইনের কুর্লা থেকে পারেল সেকশনের মধ্যে এবং পশ্চিম রেলওয়ে রুটে কিছু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও প্রভাবিত হয়েছিল ট্রেন সার্ভিস৷
❤ Support Us







