- দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
- ডিসেম্বর ৬, ২০২৪
‘দিল্লি চলো’ অভিযানে কৃষকদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের টিয়ারগ্যাস, আহত ৬
ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের আইনি গ্যারান্টি, কৃষি ঋণ মকুব, কৃষক ও কৃষি শ্রমিকদের জন্য পেনশন, বিদ্যুতের শুল্ক বৃদ্ধি না করা, কৃষকদের বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা প্রত্যাহার এবং ২০২১ সালের লখিমপুর খেরি সহিংসতার ন্যায়বিচারের দাবি, ভূমি অধিগ্রহণ আইন, ২০১৩ ও ২০২০–২১ সালের পূর্ববর্তী আন্দোলনের সময় মারা যাওয়া কৃষকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে আবার পথে নেমেছে কৃষকরা। ‘দিল্লি চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছে। শান্তিপূ্র্ণভাবে মিছিল করে এগোনোর সময় তাঁদের হরিয়ানার শম্ভু সীমান্তে আটকে দেওয়া হল।
কৃষকদের দাবি–দাওয়া আদায়ের জন্য দিল্লি চলো অভিযানের ডাক দিয়েছিল সম্মিলিত কিষাণ মোর্চা এবং কিষাণ মজদুর মোর্চা। ১০১ জনের কৃষককে ‘দিল্লি চলো’ অভিযানে পাঠানো হয়েছিল। কৃষকরা যখন শুক্রবার শান্তিপূর্ণ মিছিল করে দিল্লির দিকে এগোচ্ছিল, তখন পাঞ্জাব ও হরিয়ানা সীমান্তের শম্ভুতে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। কৃষকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাসের শেল ব্যবহার করে হরিয়ানা পুলিশ। একাধিক টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। পুলিশের প্রতিরোধের সামনে কৃষকরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশের টিয়ারগ্যাসের শেলে ৬ জন কৃষক আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা–র ধারা ১৬৩–র অধীনে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ উল্লেখ করে হরিয়ানা পুলিশ কৃষকদের অগ্রসর না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। তা সত্ত্বেও টিয়ারগ্যাসের হাত থেকে রক্ষা পেতে কিছু কৃষককে ভিজে পাটের বস্তা দিয়ে মুখ ঢেকে রাস্তা থেকে লোহার পেরেক ও কাঁটাতার সরিয়ে ফেলতে দেখা যায়। কৃষকদের অভিযোগ, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাঁদের লক্ষ্য করে টিয়ারগ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে।
হরিয়ানার আম্বালা জেলার কর্তৃপক্ষ শম্ভু সীমান্তের আশেপাশের এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করেছে। পাঁচ বা তার বেশি লোকের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। বহুস্তরযুক্ত ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে। ৬ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করেছে। শুক্রবার দুপুরে আম্বালার ডাংদেহরি, লোহগড়, মানকপুর, দাদিয়ানা, বারি ঘেল, লারস, কালু মাজরা, দেবী নগর, সাদ্দোপুর, সুলতানপুর এবং কাকরু গ্রামে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র) সুমিতা মিশ্রের জারি করা আদেশ অনুসারে ৯ ডিসেম্বর রাত ১১.৫৯ টা পর্যন্ত পরিষেবাগুলি স্থগিত থাকবে। কেএমএম নেতা সারওয়ান সিং পান্ধে বলেছেন, হরিয়ানা পুলিশের সাথে সংঘর্ষের পর কৃষকদের জাছাকে (দল) ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
❤ Support Us





