Advertisement
  • এই মুহূর্তে
  • মে ২৬, ২০২২

মমতা দিদির জন্যই ওর দিদিরা আজ উচ্চশিক্ষিত । মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে মালদা থেকে সাইকেল চড়ে কালীঘাটে এল সায়ন্তিকা

সঙ্গে মালদহের আর মুখ্যমন্ত্রীর জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
মমতা দিদির জন্যই ওর দিদিরা আজ উচ্চশিক্ষিত । মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে মালদা থেকে সাইকেল চড়ে কালীঘাটে এল সায়ন্তিকা

অর্থের অভাবে প্রায় বন্ধ হতে চলেছিল লেখাপড়া। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক প্রকল্পের সুবিধার জেরে আজ তাৰ দুই দিদি উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। সে নিজেও লেখাপড়া করছে । সেজন্যই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সে খুব ভালোবাসে। সরাসরি দেখা করে ধন্যবাদ জানাতে চায় খুদে প্রেমী। আর তাইতো বারবার জেলাশাসক থেকে পুলিশ সুপার–সহ সরকারি আধিকারিকদের লিখিত ভাবে নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল ৮ বছরের ছোট্ট সায়ন্তিকা।
আজ তাঁর স্বপ্নপূরণের দিন । সাইকেল চালিয়ে মালদহ থেকে কলকাতার কালীঘাটে ছুটে চলে এসেছে ছোট্ট মেয়েটি। সঙ্গে এনেছে মুখ্যমন্ত্রীর পছন্দের মালদহের বিখ্যাত আমসত্ত্ব ।

গত কয়েকদিন ধরেই সায়ন্তিকার খবর প্রকাশ্যে আসে। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আমসত্ত্ব নিয়ে একরত্তি মালদহ থেকে কলকাতা আসছে সাইকেল চালিয়ে, এই খবরেই অনেকে চমকে উঠেছিলেন । বাস্তবে হলও তাই। বৃহস্পতিবার সকালে কালিঘাটে পৌঁছে গেল সায়ন্তিকা। সঙ্গে আমসত্ত্ব। ছোট্ট সায়ন্তিকাকে কাছে পেয়ে বেজায় খুশি হন মুখ্যমন্ত্রীও। পাল্টা সায়ন্তিকার হাতে তুলে দেন উপহার।

ইংরেজবাজার পুরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনস্কামনা পল্লি এলাকার একচিলতে টালির বাড়িতে সায়ন্তিকাদের বসবাস। তার বাবা প্রদীপ দাস গাড়ির চালক। অভাব–‌অনটন নিত্যসঙ্গী। সায়ন্তিকার মা উমা দাস গৃহবধূ। সায়ন্তিকার দুই দিদি আজ শিক্ষিত হতে পেরেছেন। তাঁদের পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধের উপক্রম হয়েছিল। সে–সময় কাজে আসে মুখ্যমন্ত্রীর ‘কন্যাশ্রী’ প্রকল্প। কাজে লাগে ‘রূপশ্রী’ও। যে–‌কারণে সায়ন্তিকার দিদিরা আজ কলেজে–বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। বড়দিদি এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ পড়ছেন। মেজদিদি পড়ছেন কলেজে। সায়ন্তিকাও বিনে পয়সায় পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে।

তাদের জীবনযাপন এখন অনেকটাই বদলেছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে সাড়ে তিনশো মাইল সাইকেলে চেপে কালীঘাটে চলে এসেছে খুদে। সায়ন্তিকার কথায়, মুখ্যমন্ত্রী পাশে দাঁড়িয়েছেন বলেই তার দিদিরা পড়াশোনা করতে পারছেন। দিদিরা সাইকেল পেয়েছেন। বিনা খরচে স্কুলে পড়তে পারছে । বই থেকে জামা, জুতো— সব কিছুই পেয়েছে।

সায়ন্তিকার মা উমা দাস বলেছেন, ‘‌পরিবারে আর্থিক সঙ্গতি ছিল না। তাই আমি বেশি দূর পড়াশোনা করতে পারিনি। অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। অর্থাভাবে মেয়েদের পড়াশোনাও মাঝপথে থেমে যেত। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর প্রকল্পে অনেকটাই সুবিধে হয়েছে। সরকারি সাহায্য পাচ্ছে তারা। তাঁর ছোট মেয়ে দিদির ভক্ত। মমতাদিকে খুব ভালবাসে সায়ন্তিকা । ও টিভিতে দেখেছিল দিদি মালদহে এসে আমসত্ত্ব খেতে চেয়েছিলেন। তারপরেই জেদ ধরে ও সাইকেল চালিয়ে মমতাদিকে আমসত্ত্ব খাইয়ে আসবে। আমরা তাতে বাধা দিতে চাই না। তাই ওর সঙ্গে আমরাও এসেছি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!