Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মার্চ ২৪, ২০২৬

প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশগ্রহণে সংরক্ষণ আইন, কেন্দ্রীয় উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন মহিলা সাংসদরা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশগ্রহণে সংরক্ষণ আইন, কেন্দ্রীয় উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন মহিলা সাংসদরা

কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে নারী সংরক্ষণ আইন কার্যকর করতে বাজেট অধিবেশনেই নতুন আইন আনার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মহিলা সাংসদরা। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপ দেশের শাসনব্যবস্থায় নারীদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী করবে।

জেডিইউ সাংসদ লাভলি আনন্দ এই উদ্যোগকে “অত্যন্ত প্রশংসনীয়” বলে উল্লেখ করে বলেন, “নারীরা এগিয়ে এলে তবেই দেশের প্রকৃত উন্নতি সম্ভব। নারী ও পুরুষ গাড়ির দুই চাকার মতো, দুজনের সমান অংশগ্রহণ জরুরি।” তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, আজকের দিনে নারী মহাকাশ, বিমান চলাচল থেকে প্রতিরক্ষা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই সফলভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, “যদি আরও বেশি নারী মূলধারার রাজনীতিতে আসেন, তাহলে দেশের উন্নতি আরও দ্রুত হবে।”

বিজেপি সাংসদ কালামজিৎ সেহরাবৎ বলেন, নারী সংরক্ষণ আইন পাশ হওয়া দেশের “অর্ধেক জনগোষ্ঠীর” কাছে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন, “নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম কার্যকর করার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রীকেই দেওয়া উচিত। গত ১১ বছরে নেওয়া পদক্ষেপগুলো নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করেছে।”

অন্যদিকে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ইকরা হাসান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে স্পষ্টতার দাবি জানান। তিনি বলেন, “নারী সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি, কিন্তু কীভাবে এটি কার্যকর হবে, কী মানদণ্ডে সংরক্ষণ দেওয়া হবে, এই বিষয়গুলো পরিষ্কার হওয়া দরকার।”

সূত্রের খবর, চলতি বাজেট অধিবেশনেই সরকার দুটি বিল আনতে প্রস্তুত, যাতে লোকসভা ও বিধানসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশন শেষ হওয়ার আগেই এই আইন কার্যকর করা যায়। এ বিষয়ে ঐকমত্য গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিভিন্ন দলীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।

বর্তমানে লোকসভায় মোট আসন সংখ্যা ৫৪৩ হলেও প্রস্তাব অনুযায়ী তা বাড়িয়ে ৮১৬ করা হতে পারে, যার মধ্যে ২৭৩টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ‘নারী শক্তি বন্দন বিল’-এ সম্মতি দেন। এই আইনটি সংবিধানের ১০৬তম সংশোধনী হিসেবে পরিচিত।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!