- দে । শ
- জুলাই ৫, ২০২২
কক্সবাজারে, কোরবানি হাটের বাদশা এবার ‘কক্সকিং’ আর ‘ডায়মন্ড’ । দাম অন্তত ৩০ লাখ ।
বাংলাদেশের কক্সবাজারের কোরবানি হাটে বিক্রির জন্য দুটি ষাঁড়কে খাইয়ে-দাইয়ে হৃষ্ট-পুষ্ট করে তুলেছেন একজন কৃষক । একটি কালো । আরেকটি লাল । কালো রঙের ষাঁড়ের ওজন ৩০ মণ, নাম ‘কক্সকিং’। লাল রঙের ষাঁড়ের নাম ‘ডায়মন্ড’, ওজন ২০ মণ। দুটি ষাঁড়ের দাম রেখেছেন ২৯ লাখ । শ্রীঘ্রই কক্সবাজার উপজেলার খরুলিয়ার কোরবানির হাটের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।
‘শাহ ভিলা’ নামে দুতলা বাড়ির সামনে ৫০০ বর্গফুট আয়তনের ঘর গরুর খামার ‘ সিয়াম অ্যাগ্রো ফার্ম’ গড়ে তুলেছেন শফিকুল ইসলাম। ‘কক্সকিং’ আর ‘ডায়মন্ড’ বিশেষ যত্ন আত্তিতে লালিত। রোজ দুই হাজার টাকার খাদ্য তাদের জন্য বরাদ্দ। খাবারের তালিকায় রয়েছে —খৈল, ভুসি, ভুট্টা, গমের ভুসি, সয়ামিল ফুল, ভিটামিন ফিড, সাগু ইত্যাদি। মাঝেমধ্যে তারা বদহজমে ভোগে, তখন তাদের নিয়ে পশুচিকিৎসকের কাছে ছুটতে হয় ।
ষাঁড়ের নাম ‘কক্সকিং’, কেন? খামার মালিক শফিকুল ইসলাম বলেছেন, এতো বড়ো তাজা আর তেজি ষাঁড় জেলায় আরকেটি নেই । ওজনে ৩০ মণ, দৈর্ঘ্যে ১৩ ফুট ৫ ইঞ্চি, উচ্চতায় ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি। অন্যান্য ষাঁড়ের ওজন ২৫ মণ, ২৭ মণ।তাঁর দুটি ষাঁড়ের ওজন মাপা হয়েছে আইকনিক রেলস্টেশনের ওজন মাপার যন্ত্রে । ডায়মন্ড ষাঁড়টি দেখতে সুন্দর। ওজন পৌনে ২০ মণ। লম্বা ১১ ফুট ৩ ইঞ্চি, উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। লাল ও খয়েরি রং মিশ্রিত ষাঁড়টির শিং দুটি চমৎকার।
বাংলাদেশে সবসময় কুরবানির মরসুমে ষাঁড়ের দাম বেড়ে যায় । কে কত টাকায় ষাঁড় কিনে বিত্তের বাহাদুরি দেখাবেন, এই নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে । পয়লা বৈশাখেও বড়ো বড়ো ইলিশ কেনার ধুম লেগে যায়। এ এক বহুদিনের হুজুগ । বাংলাদেশে অর্থনীতি যত সুস্বাস্থ্যের মুখ দেখছে ততই ষাঁড় বা ইলিশ কেনার হুজুগ বাড়ছে । এবার ষাঁড়ের দাম তুঙ্গে । আর এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সম্ভবত শীর্ষে কক্সবাজারের ‘কক্স কিং’ ।২০ মণ ওজনের ‘ডায়মন্ড’
১৮ মাস আগে চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকার পদুয়া গ্রামের একটি খামার থেকে ২ লাখ ৮৮ হাজার কেনা হয়েছিল কক্সকিং-কে। তখন তার ওজন ১১ মণ। ওজনে সে এখন ৩০ । গা-গতরেও ফুলে ফেঁপে উঠেছে। দৈনিক ১২০০ টাকার খাবার খেয়েছে। ১৮ মাসে তার পেছনে পেছনে খরচ হয়েছে ৬ লাখ টাকার বেশি।
২২ মাস আগে চকরিয়ার ইলিশিয়া বাজার থেকে ডায়মন্ডকে কেনা হয়েছিল ১ লাখ ৩১ হাজারে। ওজন ছিল ১০ মণ । এখন প্রায় ২০ মণ।কক্সকিং ও ডায়মন্ড দর্শনে ভিড়েও হুজুগ ইুছে পড়ছে । দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন । মুঠোফোনে ছবি তুলছেন। ভিডিও তে তুলে রাখছেন ওদের হাবভাব।
❤ Support Us






