- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ১৪, ২০২৬
অভিষেক ও রুজিরার গাড়ি তল্লাশির নির্দেশ কমিশনের! রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তৃণমূলের
রাজ্যে প্রথম দফা ভোটের আর মাত্র হাতে গোনা ৯দিন বাকি। আর এসময় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রুজির বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি তল্লাশি সংক্রান্ত অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, নির্বাচন কমিশন সরাসরি নির্দেশ দিয়েছে অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়ি তল্লাশি করার। এই অভিযোগ সামনে আনতে তৃণমূল একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেছে। যার সত্যতা যাচাই করেনি আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক।
তৃণমূলের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে দেখা যাচ্ছে যে স্বাস্থ্য শিবিরের আড়ালে টাকা লেনদেনের অভিযোগ তুলে রাজ্যের শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বাদ দিয়ে তৃণমূলের অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের যানবাহন চেক করার কথা। সেই তালিকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরার নাম স্পষ্টভাবে রয়েছে। এমনকি মেসেজে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, কোনও অবস্থাতেই তাঁদের গাড়ি যেন তল্লাশির বাইরে না থাকে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি মাসেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের উপরেই ন্যস্ত। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন ইতিমধ্যেই পুলিশ ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে একাধিক রদবদল করেছে, যা নিয়েও আগে থেকেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নতুন ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। দলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে যে, নির্বাচন কমিশন একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে পুলিশ, পর্যবেক্ষক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের যানবাহনে বিশেষ নজরদারি চালাতে। শুধু তাই নয়, তৃণমূলের প্রচার কর্মসূচি ও জনসংযোগ কার্যক্রমকেও নিশানা করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
তৃণমূলের বক্তব্য, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণরূপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর মাধ্যমে বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি-কে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই বিজেপি প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু করেছে এবং নির্বাচন কমিশন সেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এ ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে, এবং নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই এই ধরনের অভিযোগ-প্রতিআরোপের পাল্টাপাল্টি পরিস্থিতি আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
❤ Support Us






