- এই মুহূর্তে
- জুন ৪, ২০২২
জাকিরের উপর বোমা হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার ইশা ।
এ আ ইএন-এর নজরে আরও বহু দুষ্কৃতি ।
প্রাক্তন মন্ত্রী ও শিল্পপতি জাকির হোসেনকে, নিমতিতা রেলস্টেশনে হত্যা করার চেষ্টার অভিযোগে এন আই গ্রেপ্তার করল ‘দুষ্কৃতি’ ইশা খানকে…। সে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। অভিযোগ, নানা রকম দুষ্কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। জাকিরকে হত্যা করার ছক আঁকা হয় তাঁরই নেতৃত্বে ।
জাকির গুরুতর জখম হন। তাঁর পায়ে, শরীরের নানা জায়গা বোমার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর জাকিরকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘদিন তাঁকে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। প্রায় অচল অবস্থা। গোড়ার দিকে রাজ্য পুলিস তদন্ত শুরু করে। পরে আচমকা তদন্তের দায়িত্ব নেয় এনআই। তারা তথ্য প্রমান জোগাড় করে। কিন্তু সরাসরি কাউকে চিহ্নিত করতে সময় লেগে যায়। যথেষ্ট কসরতের পর অবশেষে ইশাকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা । শুক্রবার তাকে আদালতে পেশ করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জেল হেফাজতেও পাঠানো হয়। এনআই-এর বিলম্বিত পদক্ষেপের জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের বিরুদ্ধে জাকিরের অনুগামীরা একসময় সরব হয়ে ওঠেন । জাকির সরব হন নি। কিন্তু অভিমান চেপে রাখেন নি। গত বিধানসভা নির্বাচণের নির্দিষ্ট দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। জাকিরের বদলে অন্য কোনও প্রার্থীকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল । পরে অনুষ্ঠিত ভোটে বহুদলের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন শ্রম দপ্তরের প্রাক্তন প্রতি মন্ত্রী। নতুন মন্ত্রিসভায় সম্ভবত শারীরিক কারণে তাঁকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়নি। কিন্তু দলের দায়িত্ব অব্যাহত রইল। হাঁটতে অসুবিধা হয়। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। ছুটছেন দলের কাজে। সজ্জন, পরোপকারী জাকির তাঁর দলের ভেতরে-বাইরে খুবই জনপ্রিয়। দান খয়রাত, শিক্ষা প্রসার এবং শিল্প নির্মাণে তাঁর ব্যক্তিগত ঐকান্তিকতাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠেছিলেন। গরুপাচার থেকে সীমান্তে বিভিন্ন পণ্যের চোরাকারবারীরা তাঁকে খুন করতে চেয়েছে। এজন্য ছক কষে, দলবেধে তাঁর ওপর হামলা চালায় ‘দুর্বৃত্তরা’ পলাতক। এনআই যত সক্রিয় হবে, ততই তারা কোনঠাসা হতে থাকবে। আত্মবন্দিত্ব আর আত্মনির্বাসনও তাদের বাঁচাতে পারবে না। অনুমান, জাকিরের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরোধী প্রভাবশালীরা বাঁচতে চাইছেন। কিন্তু এরকম তৎপরতা অসম্ভব। বড়ো রকমের অন্যায় হলে ন্যায় চুপ করে বসে থাকে না। নিজের গতিতে অপরাধ ও অপরাধীদের খুঁজে বেড়ায়।
❤ Support Us







