- দে । শ
- এপ্রিল ২৮, ২০২৩
আবারও তারিখ বদল। শীর্ষ আদালতে ফের আড়াই মাস পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি
সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি ফের আড়াই মাস পিছিয়ে গেল । শুক্রবার অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ডিএ মামলার শুনানি ছিল । কিন্তু শুক্রবারও শুনানি সম্পূর্ণ হল না । আগামী ১৪ জুলাই ডিএ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে । এরমধ্যে ১৯ মে থেকে সুপ্রিমকোর্টে গ্রীষ্মের ছুটি পড়ে যাচ্ছে । সেই কারণেই মামলার শুনানির আরও আড়াই মাস পিছিয়ে গেল । স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, শহীদ মিনারের নিচে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনরত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ধৈর্য্য পরীক্ষার মেয়াদ কী আরো বাড়বে ?
প্রসঙ্গত ডিএ মামলার শুনানি সম্পর্কে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী গত ডিসেম্বর মাসে বলেছিলেন, জানুয়ারি মাসেই ডিএ মামলা নিয়ে বড়ো রায় ঘোষণা করতে পারে সুপ্রিম কোর্ট । যদিও রাজনৈতিক ব্যক্তির কথায় বা ইচ্ছেতে আদালত চলেনা । তবে শুভেন্দু অধিকারীর ডিসেম্বরের এই কথায় কিছুটা হলেও আশান্বিত হয়েছিলেন ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনরত রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা । তবে আবার শুনানি আড়াই মাস পিছিয়ে যাওয়ায় ডিএ আন্দোলনকারীরা এবার আনেকটাই হতাশ হলেন ।
জানুয়ারি মাস থেকেই সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি ধারাবাহিকভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে । প্রথমে ঠিক ছিল ১৪ জানুয়ারি তারিখে সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি হবে । সেই দিন শুনানি না হয়ে সেই তারিখ পিছিয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি হয় । সেদিনও শুনানি পিছিয়ে যায় ২১ মার্চ পর্যন্ত । ২১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি স্থগিত হয়ে গেল । এরপর ডিএ মামলা থেকে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত সরে দাঁড়ালেন । ফলে সুপ্রিমকোর্টে ডিএ মামলার বেঞ্চ বদল হল ।
এরপর ডিএ মামলার জন্য নতুন করে বিচারপতি ঋষিকেশ রায়, বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী ও সঞ্জয় কুমারকে নিয়ে নতুন বেঞ্চ গঠিত হল । এরপর সুপ্রিমকোর্টে ডিএ মামলার শুনানির দিন ধার্য হয় ২৪ এপ্রিল । কিন্তু সেদিনও শুনানি হল না । এরপর ২৮ এপ্রিল ডিএ মামলার শুনানির দিন ধার্য হলেও শেষ পর্যন্ত তাও আরও আড়াই মাস পিছিয়ে গেল ।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে আগামী ১৪ মে বিচারপতি দিনেশ মাহেশ্বরীর অবসর গ্রহণ করবেন । তাই ডিএ মামলার জন্য আবার নতুন বেঞ্চ তৈরি করতে হবে সুপ্রিম কোর্টে ।
এদিকে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীরা রাজ্যের মুখ্য সচিব, অর্থ সচিব সহ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীদের সঙ্গে কিছুদিন আগে বৈঠক করেছিলেন নবান্নে । কিন্তু তাতেও কোনো সমাধান সূত্র বার হয়নি । তার ওপর শুক্রবারে রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ডিএ দিতে গেলে লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী বন্ধ হয়ে যাবে । তাহলে কী ধরে নেওয়া যায় বকেয়া ডিএ পাওয়া আপাতত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের নাগালের বাইরে ?
❤ Support Us





