- প্রচ্ছদ রচনা স | হ | জ | পা | ঠ
- এপ্রিল ১০, ২০২৩
আইনস্টাইনের হারানো চিঠিতে জীবকূলের অদ্ভুত ক্ষমতার খোঁজ
চিত্র :সংবাদ সংস্থা
আধুনিক পদার্থবিদ্যার জনক আইন্সটাইন জীবজন্তু সম্পর্কে স্বতন্ত্র ভাবনা পোষণ করতেন। তাঁর হারানো চিঠিতে বিষয়ের এ বহুমুখীনতাই ফুটে উঠেছে। শুধুমাত্র জড়জগত সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব গবেষণালব্ধ সিদ্ধান্ত নয়, অন্যান্য আরো বহু বিষয় নিয়ে উচ্চমানের চিন্তাভাবনা সংরক্ষিত হয়ে রয়েছে। তাঁর লেখা একাধিক পত্রে। সেসমস্ত প্রকাশ্যে এলে জ্ঞানচর্চার অন্য নতুন দিগন্ত সামনে আসবে।
সম্প্রতি, নেচার পত্রিকায় ১৯৪৯ সালের ১৮ এপ্রিল মাইকেল নর্মাল গ্লিন নামে এক ইঞ্জিনিয়ারকে লেখা জবাবি একটি চিঠি প্রকাশ করেছে । তা থেকে জানা গেছে, বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী মনে করতেন পরিযায়ী পাখি ও পায়রারা অসাধারণ অনুভূতিপ্রবণ। সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করে এমন অনেক কিছু তারা বুঝতে পারে যা সাধারণ মানুষের জানার বাইরে। ভাবতে অবাক লাগলেও এটা আজ সত্যি যে, পাখিরা নিজেদের চোখের বিশেষ ক্ষমতার সাহায্যে চৌম্বক ক্ষেত্রকে অনুভব করতে পারে। এ কারণেই একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে যাওয়ার সময় মাইলের পর মাইল জলপথ ও স্থলপথ পাড়ি দিলেও তাঁরা রাস্তা হারায় না। শুধুমাত্র পাখিরা নয়, সামুদ্রিক কচ্ছপ, কুকুরদের মধ্যেও এ ক্ষমতা রয়েছে, দাবি নেচারের বিজ্ঞানীদের।
আইনস্টাইনের মনোবীক্ষা ও অন্তর্দৃষ্টি আজও বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে পথ দেখায়। নেচার পত্রিকায়প্রকাশিত প্রবন্ধে এমনই মন্তব্য করছেন গবেষকরা । তাঁরা লিখেছেন আইনস্তাইনকে একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ রূপে দেখলে তাঁর মনীষার ব্যাপকতাকে কখনো স্পর্শ করা যাবে না। মানবকল্যাণের জন্য আরো বহুমুখী গবেষণায় আগ্রহী ছিলেন যা বাস্তব প্রয়োজন পূরণ করবে। তাঁরা জানাচ্ছেন আইনস্টাইনের সময় হয়তো এটা সম্ভব ছিল কিন্তু আজকের বিজ্ঞান এতটা অগ্রসর হয়েছে যে তাঁরা বলতে পারে মৌমাছির আচরণ এ বিকল্প পথে অনুভূত হওয়ার প্রমাণ। রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্তবিজ্ঞান যে আজ পৌছতে পেরেছে তা সম্ভব হয়েছে এই সব ছোটো ছোটো আবিষ্কারের মাধ্যমে ।
❤ Support Us







