Advertisement
  • ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
  • আগস্ট ১৭, ২০২৩

অরিজিতের বিশ্বজয়। উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
অরিজিতের বিশ্বজয়।  উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা

প্রখ্যাত মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী টেলর সুইফটকেও টেক্কা দিলেন জিয়াগঞ্জের অরিজিৎ সিং। তবে,তা গানের গুণমানের বিচারে নয়, জনপ্রিয়তার নিরিখে। শুনতে অবাক লাগলেও একথাই সত্য। অরিজিত সিং-এর কণ্ঠ ছাড়া বলিউডের ফিল্মকে কল্পনা করা মুশকিল। যে ছবিতে তিনি কাজ করেছেন তার গানের বোল মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে। এই ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতাই এখন ভারতে তাঁকে সবার সেরা করে তুলেছে।

প্রশ্ন হল কী এমন করলেন হঠাৎ করে তিনি আলোচনার শিরোনামে। আসলে অনলাইনে গান শোনার এখন যে অন্যতম মঞ্চ হল স্পটিফাই। যাতে দেশ বিদেশের বিভিন্ন সঙ্গীতশিল্পীর গান সাজানো থাকে। শ্রোতা নিজের পছন্দমতো গায়ক বা গায়িকাকে বেছে নেন। সেই প্ল্যাটফর্মেই অনুরাগীদের সংখ্যার বিচারে সুফট সহ বিলি এলিস , এমিনেমকে টপকে তিনি এখন তৃতীয় স্থানে। শীর্ষে এড শিরান ও তার পরে আরিয়ানা গ্রান্দে।

অরিজিত মানেই ‘তুম হি হো’, ‘রাবতা’, ‘চান্না মেরেয়া’, সহ একাধিক সুপারিহিট গানে সুরেলা কণ্ঠের  জাদুতে মন্ত্রমুগ্ধ হওয়া। তরুণরা তো বটেই , তাঁর গানের অনুরাগী দের তালিকায় মধ্য বয়স্করাও আছেন।এমন  ব্যাপক জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীর যাত্রা পথ খুব সহজ ছিল না। জিয়াগঞ্জের  মতো এক মফঃস্বল শহরে সীমিত সুযোগ সুবিধায় নিজের সঙ্গীত প্রতিভাকে ক্রমশ শাণিত করেছেন। সমালোচনা এসেছে তাঁর গানের জগতকে কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য। কিন্তু দমে যাননি। ২০০৫ সালে আয়োজিত ফেম গুরুকুল তাঁকে পরিচিতি দেয়।যদিও  সে প্রতিযোগিতায় তিনি জয়ী হননি। তবে, প্রতিভা ও প্রবল পরিশ্রমের ইচ্ছা যার প্রবল তাঁকে আটকানো সহজ নয়।  চালিয়ে গেছেন সঙ্গীত সাধনা। পরে দাদাগিরির টাইটেল সং তাঁকে স্থানীয় মহলে আরো সুপরিচিত করে তোলে। বাকিটা ইতিহাস।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!