- এই মুহূর্তে দে । শ
- মে ১০, ২০২৩
অবিলম্বে বন্ধ হোক হিংসা, আলোচনাই একমাত্র পথ। মায়ানমারে স্থিতাবস্তা ফেরাতে আসিয়ান গোষ্ঠীর যৌথ বিবৃতি পেশ
ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান সম্মেলন। চিত্র: সংবাদ সংস্থা
সামরিক জুন্টার আমলে, মায়ানমার জুড়ে যে অশান্তি এবং হিংসা ছড়িয়ে, তা বন্ধের আর্জি জানাল আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। আলোচনার পথেই তার সমাধান সম্ভব বলে মনে করছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো নিয়ে গঠিত এই সংগঠন।
এই গোষ্ঠীভুক্ত বিশ্বের মোট ১১টি দেশ। এই দেশগুলির মধ্যে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড কিংবা ভিয়েতনামের মতো দেশ। মায়ানমারও সেই তালিকায় অন্যতম ।
ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সাম্প্রতিক সামিটে বুধবার বিবৃতি পেশ করে বলা হয়েছে, মায়ানমারের হিংসাত্মক বা অশান্ত পরিস্থিতির জন্যে সেদেশে যে মানবিক সঙ্কট দেখা দিয়েছে, তার মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা প্রদানের কাজ যেন আটকে না যায়।
ইন্দোনেশিয়ায় আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির সম্মেলনে এমন একসময়ে মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল, যে সময়ে মায়ানমারের সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের দমন করতে যথেচ্ছ অভিযান চালাচ্ছে। বিদ্রোহীদের নিকেশ করতে জুন্টা সরকারের সেনা লাগাতারভাবে বিমান হামলাও চালাচ্ছে। এখন দেখার, মায়ানমারের জুন্টা সরকার আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির আবেদনে কর্ণপাত করে কিনা।
সূত্রের খবর, জুন্টা মায়ানমারের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সেদেশের ১০ লক্ষের বেশি নাগরিক এপর্যন্ত বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ফলে পরিস্থিতি বর্তমানে ভয়াবহ জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে, তা বলাবাহুল্য।
নিয়মানুসারে, আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির পরস্পরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানোর কোনও এক্তিয়ার নেই। অভিযোগ উঠেছে, মায়ানমারে শান্তি ফেরাতে জুন্টা সরকার পাঁচ দফা কর্মসূচি প্রণয়ণেও ব্যর্থ হয়েছে। শান্তিফর্মুলা কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি মাসের পর মাস। এই পরিস্থিতিতে মায়ানমারের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত অন্য দেশগুলি।
❤ Support Us






