- বৈষয়িক
- ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
এক বছররে মধ্যেই বাংলাদেশে সর্বজনীন পেনশন
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন বাংলাদেশে এক বছররে মধ্যে অর্থনৈতিক সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু হবে। এই ব্যবস্থা প্রথমে ঐচ্ছিক তারপর বাধ্যতামুলক করা হবে। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের নাগরিকরাও এই সুবিধা পাবেন । বুধবার সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ সব তথ্য জানিয়েছেন। এই পেনশন ব্যবস্থায়, নাগরিকরা যে পরিমাণ টাকা জমা দেবেন সরকারও সমপরিমান টাকা দেবে। নির্দিষ্ট আয়সীমার মানুষকে এই সুবিধা দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বার্ধক্যে সরকার জনগণের দায়িত্ব নেবে । এটি রাষ্ট্রের এক অভিনব অর্জন। এতে প্রতিটি মানুষ উপকৃত হবেন।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় বৃদ্ধকালীন আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের অঙ্গীকার করেছিলে। সেই অঙ্গীকার এবার পেনশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে কার্যকর হাতে চলেছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনরার সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বিশেষ কয়েকটি নির্দেশ দিয়েছেন। এসব নির্দেশ অন্তর্ভুক্ত করে আইন প্রনয়ের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী অর্থবছর থেকে এ ব্যবস্থা চালু হয়ে যাবে। প্রথমে কারা কীভাবে এ ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত হবেন তা আইনে উল্লেখ থাকবে। ব্যবস্থাটির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও পরিচালনার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হবে।বাংলাদেশ এখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড সুবিধা পাচ্ছে। এখন দেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল ৭৩ বছর দাঁড়িয়েছে । ২০৫০ সালে এই আয়ুষ্কাল বেড়ে ৮০ বছর এবং ২০৭৫ সালে তা আরও বেড়ে ৮৫ বছর হবে। ফলে আগামী তিন দশকে একজন কর্মজীবী ব্যক্তি অবসরের পরেও ২০ বছর আয়ু থাকবে। বাংলাদেশে বর্তমানে নির্ভরতার হার(ডিপেন্ডেন্সি রেশিও) হার ৭.৭ শতাংশ। ২০৫০ সালে ২৪ শতাংশ এবং ২০৭৫ সালে তা ৪৮ শতাংশ দাঁড়াবে । বয়স্ক লোকের সংখ্যা ও নির্ভরতার হার বাড়বে । এ কারণেই বৃদ্ধকালীন আর্থিক সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা খুবই জরুরি।
❤ Support Us








