- ন | ন্দ | ন | চ | ত্ব | র
- এপ্রিল ৯, ২০২৪
শমীন্দ্রনাথের সূচিত পথেই বসন্ত উদযাপন জনাই হাইস্কুলে
বাবাকে আঁকড়েই তাঁর হয়ে ওঠা । জাগতখ্যাত বাবার দৈনন্দিন কাজের অনুকরণও করতেন শৈশব থেকে । বয়স তখন মাত্র ১১, বাবার লেখা স্বদেশ পর্যায়ের গান নিজের খাতায় লিখে, নীচে নিজের স্বাক্ষর করে দিয়েছিলেন শমীন্দ্রনাথ। এই কনিষ্ঠ পুত্রের প্রতি রবীন্দ্রনাথের স্নেহও ছিল একটু বেশী ।
মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই দিদির সঙ্গে শান্তিনিকেতনের ব্রক্ষচর্যাশ্রমে যেত শমীন্দ্রনাথ, ছবির সঙ্গে সক্ষ সেখানেই শুরু। দিদি মারা যাওয়ার পর, বাবার লাইব্রেরিই হয়ে উঠলো শমী ঠাকুরের শৈশবের অন্যতম আশ্রয় । রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘ এ কি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ ‘ গানটি ছিল তাঁর অসম্ভব প্রিয় ।গলায় সুর না লাগলেও, বালক বয়সেই নানা জায়গায় তিনি গানটি গেয়ে উঠতেন । শমীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবদারেই ১৯০৭ এর বসন্তের পঞ্চম দিনে রবীন্দ্রনাথ সূচনা করেছিলেন ‘ঋতুরঙ্গ উৎসব’ । সেই ঋতু উৎসবে শমী ছিলেন বসন্ত, অন্যরা কেউ সেজেছিল বর্ষা, কেউ শরত । সেই বছর নভেম্বরেই মাত্র ১১ বছর বয়সে কলেরায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান শমীন্দ্রনাথ ।
এর প্রায় ১৮ বছর পরে, ১৯২৫ সালে ঋতু বরণের সেই ঋতুরঙ্গ উৎসবই বসন্ত উৎসব নামে খ্যাত হয় । শমীন্দ্রনাথের শুরু করা সেই বসন্ত উৎসব আজ জগৎ খ্যাত ।
পাঠভবনের স্কুল প্রাঙ্গনে তার সূচনা হলেও পরবর্তীতে দেশে বিদেশের নানা শিক্ষাঙ্গনে শুরু হয় বসন্তের উদযাপন । বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ চত্বরে এই উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রেওয়াজ থাকলেও স্কুল প্রাঙ্গনে বসন্তঋতুর উদযাপন বহুল প্রচিলিত নয়। সেখানেই এবার ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করলো হুগলির জনাই ট্রেনিং হাইস্কুল। স্কুল চত্বরের মুক্ত মঞ্চেই গানে নাচে আবৃত্তিতে বসন্তকে আহ্বান জানালো ছাত্রছাত্রীরা। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন প্ৰধান শিক্ষক রজত কুমার কুন্ডু, সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ড. তন্ময় ঘোষ । উপস্থিত ছিলেন সমাজের বহু গুণীজন ।
❤ Support Us








