- দে । শ
- মার্চ ২২, ২০২৩
চাকরিহারাদের আবেদন বাতিল ! তৃতীয় শ্রেণির কর্মী নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিল না হাইকোর্ট। আপাতত কণ্টক মুক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া
চাকরিচ্যুতদের আবেদন শুনল না হাইকোর্ট। তাঁদের আইনজীবিদের আবেদন অনুযায়ী গ্রুপ সি পদে নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হল না আদালত। ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে তাই কাউন্সেলিং-এ আপাতত আর কোনো বাধা রইল না।
বেআইনি পদ্ধতিতে নিয়োগের অভিযোগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ৮৪২ জন গ্রুপ সি কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালত বলেছিল, যে শূন্যপদ তৈরি হল , তাতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। উচ্চতর আদালতের নির্দেশ মেনে প্রার্থীদের কাউন্সেলিংয়ের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল এসএসসি। পরে চাকরিহারারা আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে কমিশনের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশের আবেদন জানিয়েছিলেন। বুধবার তাঁদের আইনজীবী সওয়ালে বলেন, এসএসসি-র বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এর থেকে রেহাই পাওয়া উচিত নয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং জেলা স্কুল পরিদর্শকেরও। তাঁর কথায়,সবাই তো এদের অনুমতি নিয়েই চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাই সবার ভূমিকাই খতিয়ে দেখা উচিত। আইনজীবী এরপর আচমকা বলে বসেন, ‘‘তার পর খেলা হবে।’’ যা প্রত্যাহার করবার নির্দেশ দেন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার।
আদালতে আর এক আইনজীবী তার সওয়ালে বলেন, নাইসা থেকে উদ্ধার করা উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট দিয়েই এত কিছু পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কিন্তু নাইসার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ওই সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। আদালতে তিনি প্রশ্ন করেন, সিবিআইয়ের উদ্ধার করা ওএমআর শিট যে বিকৃত করা হয়নি, এর নিশ্চয়তা কোথায়?
সিবিআইয়ের আইনজীবী প্রতিক্রিয়ায় জানান, উদ্ধার করা ওএমআর শিট বিকৃত করা হয়েছে এমন ধারণা না হওয়াই উচিত। তিনি বলেন, এটা শুধুমাত্র স্ক্যান কপি নয়। এর একটা জটিল প্রযুক্তিগত দিক রয়েছে। ওএমআর কোনও সাধারণ কাগজের টুকরো নয়। এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উচ্চ প্রযুক্তি রয়েছে। এর সঙ্গে একটা আনসার স্ট্রিং থাকে। যারা দ্বারা এর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হয়। ওএমএর এসএসসির অফিসে স্ক্যানও করা হয়। দুপক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর আদালত এসএস সি কে চাকরিতে নিয়োগ শুরু করতে নির্দেশ দেয়। বলা হয়, দ্রুত শেষ করতে হবে কাউন্সেলিং। তাই আপাতত খানিকটা জট মুক্ত হল নিয়োগ প্রক্রিয়া ।
❤ Support Us







