- দে । শ
- মার্চ ২৪, ২০২৩
অসমে চারটি জেলার একত্রীকরণের সিদ্ধান্ত । তবে, বাড়ছে না লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রের সংখ্যা, জানালেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু
অসমে লোকসভা কেন্দ্র কিংবা বিধানসভা কেন্দ্রগুলির সংখ্যা বাড়ছে না। কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুত বরদলুইয়ের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার একথা জানিয়েছে কেন্দ্র।
কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুত বরদলুই সংসদে প্রশ্ন তোলেন, অসম সরকার রাজ্যের চারটি জেলাকে মিশিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন? ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত নির্দেশ জারি হওয়ার আগেই অসম সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাও জানতে চেয়েছেন প্রদ্যুত বরদলুই।
এর জবাবে এদিন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেছেন, অসম সরকার ডিলিমিটেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৯৫০ সালের রিপ্রেজেনটেশন অব পিপল অ্যাক্টের ৮এ ধারা এবং ২০০২ সালের ডিলিমিটেশন অ্যাক্টের ৯ নম্বর ধারা অনুসারে।
অসমের চারটি জেলাকে মিশিয়ে দেওয়া নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকেই অসমের বিজেপিশাসিত সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন চলছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির। ওই জেলাগুলির ক্ষেত্রে সীমানা পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেস ও অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
সূত্রের খবর, যে জেলাগুলিকে মিশিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার, সেই অনুযায়ী তমুলপুর জেলাকে বাক্সার সঙ্গে মেশানো হচ্ছে। এছাড়া হোজাই জেলাকে নওগাঁ, বিশ্বনাথ জেলাকে শোণিতপুর এবং বাজালি জেলাকে বরপেটার সঙ্গে মেশানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও অন্ততপক্ষে ১৪টি জেলার সীমানা পরিবর্তন করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার। এব্যাপারে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বক্তব্য, প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবেই ওই জেলাগুলিকে মিশিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিই লাভবান হবে।
এদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, বিজেপিশাসিত অসম সরকারের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজ্যের বাসিন্দা বাঙালি মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষকে এভাবে ক্ষমতাহীন করার প্রয়াস চলছে। এর ফলে অসমের বাসিন্দা মুসলমান সম্প্রদায়ের নাগরিকদের বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত করতে রাজ্য সরকারের সুবিধা হবে।
❤ Support Us







