Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • মে ৮, ২০২৪

ব্যর্থ এমবাপে, পিএসজি–কে হারিয়ে ১১ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ডর্টমুন্ড

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ব্যর্থ এমবাপে, পিএসজি–কে হারিয়ে ১১ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ডর্টমুন্ড

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে তাদের ঘরের মাঠে ১–০ ব্যবধানে হারতে হয়েছিল পিএসজি–কে। পিএসজি সমর্থকরা আশা করেছিলেন, নিজেদের ঘরের মাঠে জ্বলে উঠবেন এমবাপে, ডেম্বেলেরা। কিন্তু ঘরের মাঠেও জ্বলে উঠতে পারলেন না এমবাপেরা। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালেও সেই ১–০ ব্যবধানে হার। দুই পর্ব মিলিয়ে পিএসজি–কে ২–০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, ১১ বছর পর আবার।
জয়ের জন্য ঘরের মাঠে শুরু থেকেই মরিয়া ছিল পিএসজি। ডর্টমুন্ড রক্ষণে হানা দেয়ার চেষ্টা করছিলেন এমবাপে, ডেম্বেলে, র‌্যামোসরা। কিন্তু পিএসজি–র আক্রমণভাগকে বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সুযোগ দেননি ডর্টমুন্ড ডিফেন্ডাররা। বিশেষ করে, ম্যাটস হামেলসের কথাও বলতে হবে। তাঁকে দুর্দান্ত সহযোগিতা করেন নিকো স্কালোটারব্যাকও। তাছাড়া এদিন লুই এনরিকের দলের ভাগ্যও সহায় ছিল না। জয়ের জন্য যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। কিন্তু পোস্ট ও ক্রসবার বেশ কয়েকবার পিএসজি–র সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচের প্রথমার্ধছিল গোলশূন্য। দুই দলই যে গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি, এমন নয়। তবে প্রথমার্ধে বিপক্ষের সেরা স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপেকে  বোতলবন্দী করে রেখেছিলেন ডর্টমুন্ড ডিফেন্ডাররা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডর্টমুন্ডকে বাঁচিয়ে দেয় পোস্ট। ৪৭ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বলে জাইরে এমরি শট নিয়েছিলেন। বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এর তিন মিনিট পরই কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ডর্টমুন্ড। ব্র‌্যান্ডটের কর্নার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ম্যাটস হামেলস।
সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পিএসজি। ৬১ মিনিটে নুনো মেন্ডেসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র একবারই জ্বলে উঠেছিলেন এমবাপে। ৮৬ মিনিটে নুনো মেন্ডেস হেডে বল নামিয়ে দিয়েছিলেন এমবাপেকে। তাঁর দুর্বল শট ডর্টমুন্ড গোলকিপার গ্রেগর কোবেলের হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লেগে বেরিয়ে যায়। ফাইনালে ওঠার আশাও শেষ হয়ে যায় পিএসজি–র।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!