- এই মুহূর্তে দে । শ
- এপ্রিল ৩, ২০২৩
আজ খেজুরিতে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী ! পাঁচ দিন জুড়ে রাম নবমীর মিছিল কেন ?
মিছিলে বন্দুক নিয়ে নাচানাচি কেন? প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রীর
রামনবমী উপলক্ষে অশান্তি ও গোলমাল বাঁধানোর জন্য কার্যত বিজেপিকে মুখ্যমন্ত্রী কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন। খেজুরির প্রশাসনিক সভা থেকে তাঁর প্রশ্ন, তিথি পেরিয়ে যাওয়ার পরও কেন পাঁচ দিন ধরে মিছিল হচ্ছে? অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও জনসমাগমের কোনো বিরাম নেই। এ প্রসঙ্গে ৬ তারিখে হনুমান জয়ন্তী পালনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সেদিন যেন কোনো অশান্তি বা গোলমাল পাকানোর চেষ্টা না হয়। সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
চারদিনের জেলা সফরের প্রথমে দিনে পূর্ব মেদিনীপূরের খেজুরিতে প্রশাসনিক সভায় মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেন। নিজের একাধিক জনদরদী প্রকল্পগুলোর প্রশংসনীয় সাফল্যের কথা উল্লেখ করে রাজ্যের সাম্প্রতিক সময়ে অশান্তি ও হিংসার ঘটনা নিয়ে তাঁর মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বিজেপির আমলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলা হচ্ছে। রমজান মাসের রোজা চলছে, অন্নপূর্ণা পুজো রয়েছে। সেখানে রামনবমীর মিছিল পাঁচ দিন ধরে হবে কেন? রামনবমীর দিন মিছিল হোক কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু বন্দুক নিয়ে মিছিল কেন করা হচ্ছে? সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে প্রবেশ করবার অনুমতি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি তা সত্ত্বেও সেখানে ঢুকে পড়ে শোভাযাত্রা চলছে। যা নতুন করে সমস্যার জন্ম দিয়েছে।
হিংসার ঘটনায় কেন্দ্রের শাসক দলকে স্পষ্টত দায়ী করে তিনি বলেন, বিজেপির থেকে টাকা খেয়ে অনেকে রাস্তা ভাঙছেন। রাস্তা তৈরি করতে অনেক টাকা লাগে, তা ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। একটা আইন রয়েছে, যাঁরা সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করছেন, তাঁদের সম্পত্তি সরকার নিয়ে নেবে। সে সম্পত্তি নিলামে তুলে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সমস্ত রাজনৈতিক দল নিজের জল মাপতে চাইছে। বিজেপিও ব্যতিক্রম নয়। এ ক্ষেত্রে তাদের চিরাচরিত অস্ত্র ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতিকে অবলম্বন করতে চাইবে, তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে চাইছেন তা সাধু বাদ যোগ্য কিন্তু ধর্মকেন্দ্রীক রাজনীতি দিয়ে ধর্মাশ্রয়ী রাজনীতিকে প্রতিরোধ করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত সে সম্পর্কে তিনি বা তাঁর দলের অবস্থান নিয়ে সংশয় রয়েছে। এমতাবস্থায় বিকল্প শক্তি হিসেবে বাম-কং জোটের উত্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কিন্তু নিজেদের হারানো জায়গা ফিরে পেতে তাঁদের এখনও অনেক পথ চলা বাকি। এমতাবস্থায় আগামী দিনে পঞ্চায়েতের নেতৃত্ব কাদের হাতে থাকবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা হয়েছে।
❤ Support Us






