- দে । শ
- জুন ২৬, ২০২৩
হণ্ডুরাসে একের পর এক হত্যা । পরিস্থিতি সামলাতে জারি ১৫ দিনের কার্ফিউ
দেশের মধ্যে ক্রমাগত হিংসার কারণে কার্ফিউ জারি করেছে হণ্ডুরাস প্রশাসন। দেশের রাষ্ট্রপতি জিওমারা কাস্ত্রো টুইট বার্তায় এ কথা জানিয়েছেন। বলা হয়েছে, দ্বীপের উত্তরাংশের পরিস্থিতি বেশ উত্তেজনাপূর্ণ তাই সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। রবিবারও সেখানে ২০ জন মারা গিয়েছেন। হামলার নেপথ্যে কারা তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে অশান্তিতে জড়িতদের ধরতে মোটা অঙ্কের টাকা পুরস্কার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তার ফলাফল কী তা অবশ্য এখনো জানা যায়নি।
দুর্বৃত্তদের হামলায় গত সপ্তাহ থেকেই টালমাটাল হণ্ডুরাস । শনিবার থেকে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে ওঠে।সেদিন দেশের অন্যতম ব্যস্ত শহর কোলোমা-য় একটি বিলিয়ার্ডস খেলার ক্লাবে ঢুকে পরে একদল বন্দুকবাজ। উপস্থিত সদস্যরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় ১৩ জন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, শুধু সেখানেই নয় শহরের আরো অন্যান্য জায়গায় ১১ টি হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে আততায়ীরা। হাম লার নেপথ্যে কারা তা অবশ্য এখনও জানা যায়নি। তদন্তকারীরা সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছেন অপরাধীদের খুঁজে বের করার। নিরাপত্তা দপ্তরের মন্ত্রী গুস্তাভো স্যাঞ্চেজ জানিয়েছেন, আরো অতিরিক্ত ১০০০ পুলিশ ও সেনা সুলা উপত্যকায় মোতায়েন করা হয়েছে যাতে আর কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
বুধবার টামারা শহরের কারাগারে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। এইঘটনায় এখনো পর্যন্ত ৪৬ জন মহিলার মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যাদেরমধ্যে ২৬ জনকে পুড়িয়ে আর বাকিদের গুলি করে মারা হয়েছে। দেশের রাষ্ট্রপতি গোটা ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। সে দিনই তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে দানবীয় আখ্যা দিয়েছিলেন।। প্রশাসনের দাবি ,গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে মারা স্ট্রিট গ্যাং। তাঁদের , কারারক্ষীদের একাংশের এতে মদত রয়েছে। মৃতদের মধ্যে ২৬ জনকে পুড়িয়ে বাকিদের গুলি করে মারা হয়েছে। নৃশংস এ এহত্যায় জেলের অন্যান্য আবাসিকরাও আতঙ্কিত। ২০১২ সালের পর সেদেশের কারাগারে এমন বর্বরোচিত হত্যার ঘটনা ঘটেনি। ক্রমশ দ্বীপ রাষ্ট্রের অন্যত্রও ছড়িয়ে পড়েছে হিংসা। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। তবে, তাদের আশ্বাস দ্রুত শান্তি ফেরানো সম্ভব হবে।
❤ Support Us





