- দে । শ
- আগস্ট ২৭, ২০২৫
মঙ্গলকোটে ভুয়ো ভোটার ঘিরে বিবাদ শাসক-বিরোধী দলে । তালিকা বিভ্রাটে তদন্তের নির্দেশ জেলাশাসকের
৫ অস্তিত্বহীন ভোটারের নাম ভোটার তালিকায়। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য। মঙ্গলকোট বিধানসভার কাটোয়ার সরগ্রাম পঞ্চায়েতের বৈঁচি গ্রামের ২৭৬ নং বুথের ঘটনা। গোটা ঘটনাটিকে ‘বিজেপি-নির্বাচন কমিশনের যোগসাজশ’ তকমা দিচ্ছে তৃণমূল। আবার এইসব ভুয়ো নাম ঢোকানোর অভিযোগ তুলে শাসক দলকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি। এ ব্যাপারে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, ‘বিষয়টি শুনেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’
জানা গেল, ওই বুথের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৫ ভুতুড়ে ভোটারই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। অথচ মঙ্গলকোট বিধানসভার সরগ্রাম অঞ্চলের ১২টি বুথেই সম্পূর্ণভাবে হিন্দুদের বসবাস। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বসবাস না থাকা সত্ত্বেও বৈঁচি গ্রামের ২৭৬ নম্বর বুথের ভোটার তালিকায় ৪ মহিলা-সহ ৫ মুসলিম ভোটারের নাম কীভাবে উঠল, সে ব্যাপারে খোঁজখবর শুরু করেছে প্রশাসন। এলাকার তৃণমূল নেতা তথা কাটোয়া ১নং পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ সুশান্ত পাঁজার দাবি, ‘ওই ভুয়ো ভোটারদের নাম বাদ দিতে বারবার নির্দিষ্ট ফর্ম ৭এ পূরণ করে নির্বাচন কমিশনকে আবেদন করেও কোন লাভ হয়নি।’ তিনি নামগুলি অবিলম্বে বাতিল করার দাবি তোলেন। সরগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য বুদ্ধদেব দাস বলেন, ‘কী করে ওই ভোটারদের নাম আমাদের এলাকায় এল বুঝতে পারছি না। আমাদের অঞ্চলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। এই অঞ্চলের কোন গ্রামে সংখ্যালঘুর বসবাস নেই।’ কাটোয়া মহকুমা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে জানা গেল, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ভুয়ো ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। কর্মীদের ভুলে যদি এই কাজ হয়ে থাকে তাহলে তদন্ত করে দোষী কর্মীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ওই ৫ ভুয়ো ভোটার সম্পর্কে দায়িত্বে থাকা বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার) মিনতি চ্যাটার্জি বলেন, ‘আমি জানি না কীভাবে ৫ জনের নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে। নজরে পড়া মাত্রই ব্লকে জানিয়ে দিয়েছি। আমি ওদের চিনিওনা, কোনোদিন দেখিওনি। এখন ব্লক থেকে এখন আমাকে বলা হচ্ছে গ্রামের বুথ লেভেল এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক করে ৫ জনের নাম বাতিলের জন্য লিখে পাঠাতে।’
❤ Support Us





