Advertisement
  • রোজনামচা
  • জুলাই ১, ২০২২

আজ জাতীয় চিকিৎসক দিবস

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আজ জাতীয় চিকিৎসক দিবস

১ জুলাই। আজ  জাতীয় চিকিৎসক দিবস। ১৯৯১ সালে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর বিধানচন্দ্র রায়ের অবদানকে সম্মান জানাতে প্রথম এই দিনটি পালন শুরু করা হয়। মানবজীবনে চিকিৎসকদের গুরুত্ব অপরিসীম। অসুস্থ হলে ভরসা করতে হয় চিকিৎসকদের উপরেই।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ১৯৯১ সালে এই দিনটি প্রথম উদযাপন করা হয়েছিল বলে জানা যায়। বিশিষ্ট ব্যক্তি বিধান চন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৮২ সালের ১ জুলাই। আবার বিধান রায়ের মৃত্যুও ১৯৬২ সালে এই একই তারিখে। আন্তর্জাতিক স্তরে ১৯৩৩ সালের ৯ মে, জর্জিয়ায় প্রথম চিকিৎসক দিবস পালনের রীতি শুরু হয় বলেই জানা যায়। এবং ১৯৯০ সালে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে স্বীকৃতি দেন বলে জানা যাচ্ছে।

বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের সম্মানে, ১৯৯১ সালে তাঁর অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে এই দিনটি প্রথম উদযাপন করা হয়েছিল। ১৯৬১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বিধান চন্দ্র রায়কে ভারতরত্ন সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় ১৮৮২ সালের পয়লা জুলাই বিহারের পাটনার খাজাঞ্চিতে জন্মগ্রহণ করেন।বিধানচন্দ্র একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি ভারত থেকে প্রাথমিক শিক্ষা এবং ইংল্যান্ড থেকে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন। শিয়ালদহ থেকে চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। বিধানবাবু সরকারি হাসপাতালে একজন পরিশ্রমী, দায়িত্ববান, একনিষ্ঠ চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করেন।

কোভিড অতিমারীর কারণে বিগত কয়েক বছর স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও বেশি করে জরুরি হয়ে পড়েছে। আমাদের রাজ্য এখন স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড চালু হয়েছে। সবাইকে একটা চিকিৎসার পরিধির মধ্যে আনার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার । তবে কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকের মতে মানুষের পাসে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে দাঁড়াতে গেলে চিকিৎসার মধ্যে আরও রিসোর্স, আরও টাকা পয়সা, আরও ম্যানেজমেন্ট প্রয়োজন। যেভাবে কারখানা গড়া হয়, টাকা খরচ করে সেনাবাহিনী তৈরি করা হয়। কোটি কোটি টাকা খরচ করে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র কেনা হয়। হেলথ ইজ দি রাইট অফ নেশন, রাইট অফ পিপল ।


  • Tags:

Read by: 63 views

❤ Support Us
Advertisement
Advertisement
শিবভোলার দেশ শিবখোলা স | ফ | র | না | মা

শিবভোলার দেশ শিবখোলা

শিবখোলা পৌঁছলে শিলিগুড়ির অত কাছের কোন জায়গা বলে মনে হয় না।যেন অন্তবিহীন দূরত্ব পেরিয়ে একান্ত রেহাই পাবার পরিসর মিলে গেছে।

সৌরেনি আর তার সৌন্দর্যের সই টিংলিং চূড়া স | ফ | র | না | মা

সৌরেনি আর তার সৌন্দর্যের সই টিংলিং চূড়া

সৌরেনির উঁচু শিখর থেকে এক দিকে কার্শিয়াং আর উত্তরবঙ্গের সমতল দেখা যায়। অন্য প্রান্তে মাথা তুলে থাকে নেপালের শৈলমালা, বিশেষ করে অন্তুদারার পরিচিত চূড়া দেখা যায়।

মিরিক,পাইনের লিরিকাল সুমেন্দু সফরনামা
error: Content is protected !!