Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৩

ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট

১৯ বছর আগে ডুরান্ড ফাইনালে হারের যন্ত্রণা কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছিল সবুজমেরুণ সমর্থকদের। অবশেষে মধুর প্রতিশোধ। তবে শুধু ১৯ বছর আগের ডুরান্ড ফাইনালের নয়, চলতি মরশুমে প্রথম ডার্বি পরাজয়েরও। ১২ আগস্ট এই ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগে ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। ২০ দিন পর বদলা। ইস্টবেঙ্গলকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
গ্রুপ লিগে ইস্টবেঙ্গলের কাছে হেরে ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল মোহনবাগানের কাছে। কোয়ার্টার ফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়ার পর বদলে যায় সবুজমেরুণ ব্রিগেড। মুম্বই সিটি এফসি, এফসি গোয়ার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে আসে। আর ফাইনালে শেষ ৩৮ মিনিট ১০ জনে খেলেও বাজিমাত। ২৩ বছর পর আবার ডুরান্ড কাপে চ্যাম্পিয়ন। ২০০০ সালে মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রাকে হারিয়ে শেষবার ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহনবাগান। এবার দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে। অন্যদিকে, ট্রফি খরা অব্যাহত থেকেই গেল লালহলুদে।
আগের ডার্বির মতো এদিন ভুল করেননি মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্ডো। তিন বিদেশি দিমিত্রি পেত্রাতোস, আর্মান্দো সাদিকু, হুগো বুমোসকে দিয়ে আক্রমণভাগ সাজিয়েছিলেন। পরিকল্পনা ছিল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে নির্ধারিত সময়েই গোল তুলে নেওয়া। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতের স্ট্র‌্যাটেজি ছিল অনেকটাই রক্ষণাত্মক। তিনি চেয়েছিলেন প্রতিআক্রমণভিত্তিক ফুটবল খেলে গোল তুলে নেওয়া। ফলে প্রথমার্ধে বলের দখল বেশি রেখেও গোল তুলে নিতে পারেনি মোহনবাগান। তবে ৪৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও জালে রাখতে পারেননি নন্দকুমার।
দ্বিতীয়ার্ধেও দাপট নিয়ে খেলছিল মোহনবাগান। ৬০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও এসেছিল। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা মনবীর সিংয়ের পাস থেকে বল পেয়ে গোল করতে বয়র্থ হন হুগো বুমোস। এরপরই সিভেরিওকে ফাউল করে দ্বিতীয় বার হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন মোহনবাগানের অনিরুদ্ধ থাপা। ৩৮ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন করেন মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। হুগো বুমোস, আশিক কুরুনিয়ান ও আর্মান্দো সাদিকুর জায়গায় মাঠে নামান জেসন কামিংস, গ্লেন মার্টিন্স ও লিস্টন কোলাসোকে। বদলে যায় মোহনবাগান। ৭১ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে কামিন্সের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে বাঁপায়ে কোনকুনি শটে গোল করেন পেত্রাতোস। বাকি সময়ে মরিয়া হলেও সমতা ফেরাতে পারেননি ইস্টবেঙ্গল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!