- মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- এপ্রিল ১৭, ২০২৩
সুপার কাপে কলকাতার আশা শেষ, বিদায় ইস্টবেঙ্গলেরও
কলকাতায় সুপার কাপ আসার সম্ভাবনা শেষ। দুদিন আগেই সেমিফাইনালের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। সোমবার আইজল এফসি–র সঙ্গে ড্র করে বিদায় নিল কলকাতার আর এক প্রধান ইস্টবেঙ্গলও। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে কমপক্ষে ৩ গোলের ব্যবধানে জিততে হত ইস্টবেঙ্গলকে। কিন্তু আইজলের সঙ্গে ২–২ গোলে ড্র করে ছিটকে গেল লালহলুদ ব্রিগেড।
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত করে রাখছিল আইজল এফসি রক্ষণকে। ম্যাচের ১৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। অ্যালেক্স লিমার কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে সুমিত পাসির উদ্দেশ্যে সেন্টার করেছিলেন। আইজল এফসি–র ডিফেন্ডার আকিতোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বল জালে জড়িয়ে যায়। ম্যাচের ২১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। ভিপি সুহেরের ডানদিক থেকে নেওয়া সেন্টার থেকে হেডে গোল করে ২–০ করেন সুমিত পাসি।
একটা সময় মনে হচ্ছিল আইজল এফসি–র বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতেই মাঠ ছাড়বে ইস্টবেঙ্গল। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল আইজল এফসি রক্ষণে। ৩৬ মিনিটে প্রথম প্রতি–আক্রমণে উঠে এসে লালহলুদ বক্সে হানা দেয় আইজল এফসি। কমলজিৎকে কঠিন পরীক্ষার সামনে ফেলে দেন ডেভিড। অবশেষে ৪২ মিনিটে ব্যবধান কমায় আইজল। হরুটিয়ার শট কমলজিৎ প্রথম প্রচেষ্টায় বাঁচানোর পর ফিরতি বলে গোল করেন তিনি। প্রথমার্ধে ২–১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে ইস্টবেঙ্গল।
সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে আইজল এফসি। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে ডেভিড বল পেয়ে কমলজিৎকে এগিয়ে থাকতে তাঁর মাথার ওপর দিয়ে লম্বা শটে বল জালে পাঠান। প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গল যে দাপট দেখিয়েছিল, দ্বিতীয়ার্ধে সেই ফুটবল উপহার জিতে পারেনি। ৭৫ মিনিটে আইজল এফসি–র একটা গোল অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায়। আকিতো গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন। কমলজিৎ আংশিক প্রতিহত করেছিলেন। ফিরতি বল যায় ডেভিডের কাছে। হালকা পুশে তিনি বল জালে পাঠান। অফসাইডের জন্য গোল বাতিল হয়ে যায়।
❤ Support Us








