- এই মুহূর্তে দে । শ মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- মে ৮, ২০২৩
কুস্তিগীরদের পাশে কৃষকরা, ধর্না মঞ্চে হাজির ৫০০
যৌন হেনস্তার অভিযোগে অভিযুক্ত ভারতীয় কুস্তি সংস্থার প্রেসিডেন্ট ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে যদি ২১ মে–র মধ্যে গ্রেপ্তার না করা হয়, তাহলে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমনই জানিয়েছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত।
যৌন হেনস্তার অভিযোগে অভিযুক্ত ভারতীয় কুস্তি সংস্থার প্রেসিডেন্ট ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে যদি ২১ মে–র মধ্যে গ্রেপ্তার না করা হয়, তাহলে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এমনই জানিয়েছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত।
রবিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদী কুস্তিগীরদের সঙ্গে দেখা করে খাপ পঞ্চায়েতের ৩১ সদস্যের দল। এই ৩১ সদস্যের দলে ছিলেন ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত, খাপ মাহাম ২৪–এর প্রধান মেহর সিং সামকিউত কিষান মোর্চার বলদেব সিং সিরসাসহ আরও অনেক নেতা। তাঁরা কুস্তিগীরদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন ২১ মে–র মধ্যে যদি সরকার ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে গ্রেপ্তার না করে, তাহলে পরবর্তী কৌশল ঠিক করবে। রবিবার ধুতি–কুর্তা–পাগড়ি পরিহিত কয়েকশো কৃষক দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজির হন এবং কুস্তিগীরদের সঙ্গে ধর্না মঞ্চে সামিল হন। খাপ পঞ্চায়েত সদস্যদের জন্য দিল্লি পুলিশ আগে থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করেছিল। প্রায় ৫০০ জনের বেশি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স, দিল্লি পুলিশ, সিআরপিএফ জওয়ান হাজির ছিলেন।
কুস্তিগীরদের সঙ্গে দেখার করার পর ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত বলেন, ‘খাপ পঞ্চায়েত এবং এসকেএম–এর অনেক নেতা আজ বৈঠকে যোগ দিয়েছিল। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, প্রতিটি খাপের সদস্যরা প্রতিদিন প্রতিবাদ সভায় আসবে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধরনা মঞ্চে থাকবে। এই কমিটি কুস্তিগীরদের যত্ন নেবে। আমরা বাইরে থেকে কুস্তিগীরদের সমর্থন করব। আমরা ঠিক করেছি ২১ মে একটা বৈঠক করব। এর মধ্যে সরকার যদি ব্রিজভূষণ শরণ সিংকে গ্রেপ্তার না করে তাহলে আমরা পরবর্তী কৌশল ঠিক করব। কুস্তিগীররা যদি কোনও সমস্যার মধ্যে পরে তাহলে সমগ্র জাতি তাদের পাশে দাঁড়াবে।’
এদিকে, খাপ পঞ্চায়েত সদস্যরা তঁাদের পাশে দাঁড়ালেও আন্দোলন হাইজ্যাক হয়নি বলে জানিয়েছেন ভিনেশ ফোগাট। রবিবার কুস্তিগীরদের সমর্থনে সন্ধ্যায় একটা মোমবাতি মিছিল হয়। কুস্তিগীররা একে অপরের হাত ধরে হাঁটার সময় ‘ইনক্লাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানও দেযন। মিছিল শুরুর আগেই ‘মেরা রং দে বাসন্তী চুলা’র মতো দেশাত্মবোধক গানও বাজানো হয়। এদিন টিকরি বর্ডার থেকে প্রায় ৫০০ কৃষক বাসে করে দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজির হন।
❤ Support Us






