Advertisement
  • দিন-দুনিয়া মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • আগস্ট ২৩, ২০২২

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আশার আলো ভারতীয় ফুটবলে।

ফিফার নির্বাসনের খাঁড়া নেমে আসার পরই আসরে নেমেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সুপ্রিম কোর্টের রায়ে আশার আলো ভারতীয় ফুটবলে।

চিত্র সংগৃহীত

ফিফার নির্বাসনের খাঁড়া নেমে আসার পরই আসরে নেমেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ফিফার সঙ্গে বারবার আলোচনা। কথা এশিয়ান ফুটবল কাউন্সিলের সঙ্গেও। আশার আলো দেখেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ফিফা কেন্দ্রীয় সরকারকে পরিস্কার জানিয়েছিল ফুটবল ফেডারেশনে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না। ইঙ্গিত দিয়েছিল প্রশাসক কমিটি তুলে নেওয়ার। তার ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্টে প্রশাসক কমিটির অবসান করার আবেদন জানিয়েছিল। সেই আবেদনকে মান্যতা দিয়ে প্রশাসক কমিটি ভেঙে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়াতেও বদল নিয়ে এসেছে।

ভারতের সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন রেখেছিলেন, ফিফার নির্দেশিকা মেনে ফেডারেশনের নির্বাচন হোক। প্রশাসক কমিটির খসড়া সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচনের ব্যাপারে ফিফার যে আপত্তি রয়েছে, সেটাও শুনানিতে তুলে ধরেন তুষার মেহতা। ৩৬ জন নামী প্রাক্তন ফুটবলারের ভোটাধিকার ফিফা মনে নেয়নি। সবদিক বিচার করে ফিফার নির্বাসন তোলার জন্য প্রশাসক কমিটিকে অব্যাহতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের ডিওয়াই চন্দ্রচুড় এবং এএস বোপান্নার বেঞ্চ। একই সঙ্গে নির্বাচন একসপ্তাহ পিছিয়ে দিয়েছে।

২৮ আগস্ট ফেডারেশনের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। সেই নির্বাচন হবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে। বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড় ও এএস বোপান্নার বেঞ্চ যে রায় দিয়েছে, তাতে কেবলমাত্র ৩৫টি রাজ্য সংস্থা ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিরা ভোট দিতে পারবেন। অর্থাৎ প্রাক্তন ফুটবলারদের ভোটাধিকার থাকল না। প্রশাসক কমিটি ভেঙে দিয়ে কার্যকরী সচিব সুনন্দ ধরকে ফেডারেশনের কাজ চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফেডারেশনের নির্বাচনের জন্য প্রশাসক কমিটি তাপস ভট্টাচার্য ও উমেশ সিন্‌হাকে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করেছিল। তাঁদের হাতেই নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে মহামান্য আদালত। ফেডারেশনের সংবিধান রূপরেখা তৈরির জন্য আদালতকে সাহায্য করবেন অভিজ্ঞ আইনজীবী সমর বনসাল ও গোপাল শঙ্করনারায়ন। ফেডারেশনের নির্বাচনের মাধ্যমে ২৩ সদস্যের কার্যকরী কমিটি গঠিত হবে। যার মধ্যে সভাপতি, সহ–সভাপতি, সচিব, কোষাধ্যক্ষ ও কর্মসমিতির সদস্য মিলিয়ে থাকবেন ১৭ জন। ৬ জন প্রাক্তন ফুটবলারকে কার্যকরী কমিটিতে কোয়াপ্ট করা হবে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, সেপ্টেম্বরে নির্বাচন হলে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ওপর থেকে নির্বাসন তুলে নিতে পারে ফিফা। সেক্ষেত্রে মেয়েদের অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে বাধা থাকবে না। আশার আলো দেখতেই পারেন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।  ‌


❤ Support Us
error: Content is protected !!