Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • এপ্রিল ২৭, ২০২৩

কালিয়াগঞ্জে আবার উত্তেজনা । অভিযোগ পুলিশের গুলিতে যুবকের মৃত্যুর । বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কালিয়াগঞ্জে আবার উত্তেজনা । অভিযোগ পুলিশের গুলিতে যুবকের মৃত্যুর । বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

উত্তর দিনমজুরের কালিগঞ্জ নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে উত্তেজনার মধ্যেই এবার পুলিশের গুলিতে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। স্থানীয়দের অভিযোগ, বুধবার রাতে কালিয়াগঞ্জ থানা এলাকায়, ভারত – বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাধিকাপুরের চাঁদগাঁও অঞ্চলে পুলিশ  বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের বাড়িতে হানা দেয়। তাঁকে না পেয়ে, তাঁর বৃদ্ধ বাবা ও মাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই শুরু হয় প্রতিরোধ। পুলিশকে ঘেরাও করে স্থানীয় জনতা। অভিযোগ,  উত্তেজিত জনতাকে লক্ষ্য করে পুলিশ ২ রাউন্ড গুলি চালায়। একটি গুলি লাগে স্থানীয় মৃত্যুঞ্জয় বর্মণের দেহে। পুলিশ গুলিবিদ্ধ যুবককে  দ্রুত কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা যুবককে মৃত বলে  ঘোষণা করেন। নিহত যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বয়েস ৩৩ বছর ।তবে গুলি চালানোর ব্যাপারে পুলিশের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কাজেই গুলি কে চালিয়েছে তা নিয়ে বিতর্ক তৈরী হয়েছে। এরই মধ্যে কালিয়াগঞ্জে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সরকারিভাবে।

এই ঘটনার পরই, বৃহস্পতিবার সকালে কালিয়াগঞ্জে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলে টুইটে সরব হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তাঁর টুইটে মৃত্যুঞ্জয় বর্মন নামে ৩৩ বছর বয়সী ওই যুবকের মৃত্যুর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেন। কালিয়াগঞ্জে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন । এদিকে কালিয়াগঞ্জে যুবকের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় শুভেন্দু অধিকারীকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।

শুভেন্দু অধিকারী তাঁর টুইটে  লিখেছেন, “কালিয়াগঞ্জে ৩৩ বছর বয়সী এক রাজবংশী যুবককে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে ‘মমতা’ পুলিশ। ট্রিগার হ্যাপি ‘মমতা’ পুলিশ মধ্যরাত ২টো ৩০ মিনিটে বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মনের বাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু তাঁকে পায়নি। এর পর ৩৩ বছর বয়সী রাজবংশী যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে নৃশংসভাবে গুলি করে খুন করে তারা। এটা রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও সন্ত্রাসের নিকৃষ্ট নজির। রাজ্য যখন জ্বলছে, গণঅভ্যুত্থানের পথে এগোচ্ছে তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজা নিরোর মতো আহ্লাদে রয়েছেন। গতকাল বিকেলে এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালিয়াগঞ্জের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই  পুলিশ তাঁর আজ্ঞা পালন করল। তাঁকে এই নৃশংস রাষ্ট্রীয় হত্যার দায়িত্ব নিতে হবে। এই সর্বঘাতী হিংসা ও রক্তপাতের বিরুদ্ধে মানুষকে সরব হয়ে ও  গণতান্ত্রিকভাবে সোচ্চার হতে হবে।”

এদিকে রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর বিহারি তত্ত্বের পরই বিজেপি নেতার  বাড়িতে রাতে পুলিশ ঢুকে অত্যাচার চালায়।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!