- দে । শ
- নভেম্বর ১৫, ২০২২
বিশ্বের জনসংখ্যা পৌঁছেছে ৮০০ কোটিতে, পরের ১০০ কোটি আসবে ৮ দেশ থেকে
বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটিতে পৌঁছে গেছে। এমনই তথ্য তুলে ধরেছে জাতিসঙ্ঘ। এতদিন দ্রুতগতিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও এবার সেই বৃদ্ধির হার ধীর গতিতে হবে বলেও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। ৯০০ কোটিতে পৌঁছতে আরও ১৫ বছর সময় লাগবে। জন্মহার কমার জন্যই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯৬২ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে বৃদ্ধির হার কমেছিল ২.১ শতাংশ। ২০২০ সালে কমেছে ১ শতাংশ। ২০৫০ সালের মধ্যে বৃদ্ধির হার কমবে ০.৫ শতাংশ।
পরবর্তী ১০০ কোটি মানুষ শুধুমাত্র আটটি দেশ থেকে আসবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এই দেশগুলি হল কঙ্গো, মিশর, ইথিওপিয়া, ভারত, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ফিলিপাইন এবং তানজানিয়া। জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড পপুলেশন প্রসপেক্টস ২০২২ রিপোর্টে এই অনুমান প্রকাশ করা হয়েছে। এই রিপোর্ট অনুসারে ২০২৩ সালে জনসংখ্যার দিক দিয়ে চিনকেও ছাড়িয়ে যাবে ভারত। এমনই তথ্য তুলে ধেরেছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ। ২০৫০ সালে ভারতের জনসংখ্যা ১৭০ কোটিকে পৌঁছে যাবে। তবে চিনের জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার কমে যাবে। এই মুহূর্তে চিনের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি। ২০৫০ সালের মধ্যে ১.৩ শতাংশ কমে যাবে। বিগত কয়েক বছরে রাষ্ট্রসঙ্ঘ মাইলস্টোন স্পর্শ করা শিশুদের চিহ্নিত করেছিল। জনসংখ্যা যখন ৬, ৭, ৮ কোটিতে পৌঁছেছিল, তখন তা চিহ্নিত করে রাখা হয়েছিল।
বিশ্বের ৫০০ কোটিতম শিশু ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই জন্মগ্রহন করেন। তাঁর নাম ছিল মাতেজ গাসপার। ক্রোয়েশিয়ার রাজধানী জাগ্রেবে তিনি জন্মগ্রহন করেছিলেন। ৩৫ বছর বয়সী মাতেজ গাসপার এখন জাগ্রেবেই থাকেন। তিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। আদনান মেভিক ছিলেন ৬০০ কোটিতম শিশু। তিনি ১২ অক্টোবর ১৯৯৯ সালে জন্ম গ্রহন করেছিলেন। সারাজেভোতে তিনি থাকেন তাঁর মায়ের সঙ্গে। ইকনমিক্সে মাস্টার্স করেছেন। সে শীঘ্রই ইউরোপে চলে যাবে চাকরির জন্য। সাদিয়া সুলতানা ঐশী হলেন ৭০০ কোটিতম শিশু। জন্ম নেন ২০১১ সালে। সে এখন ডাক্তার হতে চায়। তাঁর পরিবার ভিলাইতে চলে গেছে।
জাতিসংঘ ৮০০ কোটি জনসংখ্যার মাইলস্টোনকে ‘মানবতার জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছে। উল্লেখ করেছে, ‘জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি এবং ওষুধের উন্নতির কারণে মানুষের আয়ুষ্কাল ধীরে ধীরে বৃদ্ধির কারণে এই অভূতপূর্ব বৃদ্ধি।’
❤ Support Us





