Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • অক্টোবর ২, ২০২৩

নিশানায় “দিল্লি চলো” কর্মসূচি, নাম না করে গান্ধি বাণীতে তৃণমূলের সমালোচনায় বোস

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
নিশানায় “দিল্লি চলো” কর্মসূচি, নাম না করে গান্ধি বাণীতে তৃণমূলের সমালোচনায় বোস

গান্ধি জয়ন্তীতেও রাজ্য-রাজ্যপালে সংঘাত জারি রইল। আবারও নাম না করে তৃণমূলকেই সোমবার গান্ধি জয়ন্তীর দিন তৃণমূলকে নাম না করে  নিশানা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি এদিন বললেন, “সবকো সম্মতি দে ভগবান।” দুপক্ষের সংঘাতের আবহে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

আজ মহাত্মা গান্ধির  ১৫৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে বারাকপুরের গান্ধিঘটে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব, রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ-সহ জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসক। গান্ধিজিকে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন রাজ্যপাল। “বাপুজি”-র প্রিয় সংগীত রামধুন রঘুপতি রাঘব রাজারাম পরিবেশিত হয়। এরপর সংবাদমাধ্যমের সামনে রাজ্যপাল তৃণমূলের দিল্লিযাত্রা প্রসঙ্গে মুখ খোলেন। গান্ধিজির জন্মজয়ন্তীতে রাজ্যের শাসক শিবিরকে নাম না করে কার্যত কটাক্ষের সুরেই রাজ্যপাল বলেন, “সবকো সম্মতি দে ভগবান।” রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, “আজ শুধু গান্ধিজির দিন।”

রাজ্যপাল এদিন প্রশ্ন তুলে বলেন  ফিরহাদ হাকিম একইসঙ্গে মন্ত্রী এবং মেয়র কী ভাবে? এই প্রশ্ন তুলে সম্প্রতি নবান্নে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।  “এটা কী অফিস অফ প্রফিটের মধ্যে পড়ছে?”, চিঠিতে সেই প্রশ্নও তুলেছিলেন রাজ্যপাল। সেই সংঘাতের আবহে রাজ্যপালের এদিনের মন্তব্য যে ঘৃতাহুতি ছাড়া আর কিছুই নয়, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ রইলো না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজ্যপালকে ইতিমধ্যেই তীব্র কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার। জয়প্রকাশ বলেছেন, “রাজনীতি যখন করছেন তখন কেন্দ্রকে বকেয়া মেটাতে বলতে পারেন। প্রাপ্য টাকা নিয়ে বলতে বাধা কীসের?”


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!