- দে । শ
- মার্চ ৩১, ২০২৩
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে ভর্ৎসিত কেজরিওয়াল, জরিমানা ২৫ হাজার
প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির সুলুক সন্ধান করতে গিয়ে কেজরিওয়াল আদালতের ভর্ৎসনার সম্মুখীন হলেন। গুজরাট হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল, শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বিশদ বিবরণ অপ্রয়োজনীয়। একই সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। সময়সীমা চার সপ্তাহ।
আদালতের রায়ের কথা শুনে কেজরীওয়াল বলেছেন, দেশের মানুষের কি জানার অধিকার নেই প্রধানমন্ত্রী কতটা শিক্ষিত ? ওরা ডিগ্রি দেখাতে এত আপত্তি করছেন কেন? যে ডিগ্রি দেখতে চাইলেন, তাঁকে জরিমানা করা হল? কী হচ্ছে এ সব! একজন অশিক্ষিত বা স্বল্পশিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী দেশের জন্য বিপজ্জনক।
২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রীর বিএ ও এম এ পাশ সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল একটি আরটিআই দাখিল করেন। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে,জাতীয় তথ্য কমিশন গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিগ্রি সামনে আনার নির্দেশ দেয়। যা মানতে অস্বীকার করে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁরা জানান, তথ্য জানার অধিকার আইন প্রয়োগ করে কোনো ছাত্রের ডিগ্রি প্রকাশ করা আইনবিরুদ্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন কেজরিওয়াল। প্রতিষ্ঠান জানায়, ডিগ্রি তো জনমানসে প্রকাশ্যেই দেওয়া আছে। ওয়েবসাইটেও এব্যাপারে বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তি মেনে গুজরাট হাই কোর্ট জাতীয় তথ্য কমিশনের নির্দেশ বাতিল বলে ঘোষণা করে।
প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রচরাভিযান শুরু হয়েছে। আমেদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মোদি বিরোধী পোস্টার। ইতিমধ্যে স্থানীয় পুলিশ আট জনকে গ্রেফতার করেছে। প্রত্যকে আপের সদস্। গুজরাট আদালতের রায়ে প্রধানমন্ত্রী বিরোধী লড়াইয়ে আরো কোণঠাসা হল ঝাড়ু শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা ।
প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি নিয়ে গত কয়েক বছরে একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে। প্রকৃত সত্য কী তা আরম্ভ যাচাই করেনি। তবে, কোনো নাগরিক যখন দেশের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে জানতে চান, তখন তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। ৭৫ পেরোনো ভারতীয় গণতন্ত্রে এ দৃশ্যের রচনা অনভিপ্রেত।
❤ Support Us







