Advertisement
  • দে । শ
  • মার্চ ১৭, ২০২৩

কর্ণাটকের নির্বাচনী সভায় বিস্ফোরক হিমন্ত: আমি মন্দির নির্মাণের পক্ষে। বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশে দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতি হুমকির মুখে

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কর্ণাটকের নির্বাচনী সভায় বিস্ফোরক হিমন্ত: আমি মন্দির নির্মাণের পক্ষে। বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশে দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতি হুমকির মুখে

চলতি বছরে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। তার আগে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে সুর চড়িয়ে সাম্প্রদায়িকতাকে ফের উসকে দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।

হিমন্তের কথায়, একসময়ে দিল্লির শাসকরা ভারতের মন্দিরগুলি ভাঙার কথা বলত। মোদি জমানায় আমি মন্দির নির্মাণের পক্ষে কথা বলতে চাই।

কর্নাটকের বেলগাভিতে নির্বাচনী সভায় হিমন্ত বিশ্ব শর্মার এই সাম্প্রদায়িক মন্তব্যে ফলে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।জনসভায় তিনি বলেছেন বাংলাদেশ থেকে মানুষজন অসমে ঢুকে পড়ছেন। এর ফলে দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতি হুমকির মুখে পড়েছে।

বেলগাভিতে আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার উপলক্ষে বিজেপির ‘বিজয় সঙ্কল্প যাত্রা’য় যোগ দিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা কংগ্রেস ও বামেদের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এযুগের মুঘল হল কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে নতুন ভারত গড়ার কাজ চলছে, এদিকে কংগ্রেস দেশকে দুর্বল করতে উঠেপড়ে লেগেছে।

বামেদেরও প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, কংগ্রেসের মতো বামেরাও মনে করে ভারতের ইতিহাস মানে বাবর, ঔরঙ্গজেব, শাহাজান। আমি বলতে চাই, এটা একবারেই ঠিক নয়। ভারতের ইতিহাস মানে ছত্রপতি শিবাজি, গুরু গোবিন্দ সিং। ঔরঙ্গজেব চেয়েছিলেন, ভারতের সনাতন সংস্কৃতিকে ধ্বংস করতে। জোর করে ভারতীয়দের ধর্মান্তরণ করিয়েছিলেন তিনি।

হিমন্ত আরও বলেন, অনেক ভারতীয় নাগরিকই নিজেদের মুসলমান কিংবা খ্রিস্টান হিসেবে গর্ববোধ করেন। তা নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার দরকার এমন মানুষ, যাঁরা হিন্দু হিসেবে গর্ববোধ করবেন।

হিমন্ত আরও বলেছেন, ইতিমধ্যে তিনি অসমের ৬০০টি মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়েছেন। বাকি মাদ্রাসাগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হবে।এনিয়ে তাঁর যুক্তি, অসমের বিজেপি সরকার চায় আরও বেশি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। মাদ্রাসা শিক্ষার কোনও দরকার নেই। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে অসমে একটি বিতর্কিত আইন প্রণয়ন করেছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এই আইনে রাজ্য সরকার পোষিত মাদ্রাসাগুলিকে সাধারণ স্কুলে রূপান্তরিত করার কথা বলা হয়। বর্তমানে অসমে নথিভুক্ত এবমং নথিভুক্ত না থাকা মাদ্রাসার সংখ্যা তিন হাজার বলে জানা গিয়েছে।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!