Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মার্চ ১৮, ২০২৩

অমিতের জবাব । আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ থাকলে আদালতে যাক বিরোধীরা

শাহর দাবি, দুর্নীতি সংক্রান্ত দুটি মামলা ছাড়া বাকিগুলি ইউপিএ আমলেই দায়ের হয়েছিল, এনডিএ আমলে নয়

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
অমিতের জবাব । আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে অভিযোগ থাকলে আদালতে যাক বিরোধীরা

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির মাধ্যমে বিরোধী রাজনীতিকদের কেন্দ্রীয় সরকার হেনস্থা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির এই অভিযোগের জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাহর দাবি, সিবিআই, ইডির মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি নিরপেক্ষভাবেই কাজ করছে। তাছাড়া দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার দুটি ছাড়া  বাকি মামলাগুলি ইউপিএ আমলেই দায়ের হয়েছিল, এনডিএ আমলে নয়।

শুক্রবার দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া টু ডে’ কনক্লেভে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জমানায় ১২ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠার পরে সরকার পরিস্থিতি শান্ত করতে সিবিআইকে দিয়ে মামলা দায়ের করেছিল।

শাহকে প্রশ্ন করা হয়, অভিযোগ উঠছে, বেছে বেছে বিরোধীদের রাজনীতিকদের বিরুদ্ধেই কেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি মামলা দায়ের করছে? জবাবে শাহ বলেছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিতে তো অনেক অভিজ্ঞ আইনজীবী আছেন। সেক্ষেত্রে ওঁরা কেন আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন না? আদালতে যেতে কে ওঁদের বাধা দিচ্ছে? অথচ বিরোধীরা আদালতের না গিয়ে আদালতের বাইরে হইচই করছেন।

শাহ আরও বলেছেন, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ পেলে, সেক্ষেত্রে ইডি তদন্ত করতে বাধ্য। সকলকে আমি বলতে চাই আইন মেনে চলা উচিত। এটাই একমাত্র পথ।

নিজের বক্তব্যের সমর্থনে শাহ এও বলেছেন, ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে কংগ্রেসের এক প্ৰথমসারির মহিলা নেত্রী আমাদের প্রশ্ন করেছিলেন, কংগ্রেস যদি দুর্নীতিতে লিপ্তই থাকে, তাহলে কেন তার তদন্ত হচ্ছে না? এখন যখন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেইসময়ে ওঁরা অনর্থক হইচই করছেন।

শাহর কথায়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগে যে ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা চ্যালেঞ্জ করে ওঁরা আদালতে যেতেই পারেন। কারণ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি আদালতের উর্ধ্বে নয়। যে কোনও নোটিশ, এফআইআর কিংবা চার্জশিটকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যেতেই পারে। আসলে অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে তা বেশিদিন পর্যন্ত ধোপে টিকবে না।

কনক্লেভে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আদানিকাণ্ডেও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আদানিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই অবসরপ্রাপ্ত দুই বিচারপতির কমিটি গঠন করেছে। দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও প্রমাণ থাকলে তা ওই কমিটির কাছে দাখিল করুন। বিচারব্যবস্থার প্রতি সকলেরই আস্থা রাখা উচিত। ভুল করলে কেউই পার পাবেন না। তাছাড়া আদানিকাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সমান্তরালভাবে তদন্ত করছে সেবি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!