Advertisement
  • এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • এপ্রিল ৬, ২০২৪

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, অবশেষে স্বপ্নপূরণ, প্রথমবার আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আইএসএলে মহমেডান

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, অবশেষে স্বপ্নপূরণ, প্রথমবার আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আইএসএলে মহমেডান

বেশ কয়েকবার কাছাকাছি এসেও স্বপ্নপূরণ হয়নি। আই লিগ জয় অধরাই থেকে গিয়েছিল। অবশেষে স্বপ্নপূরণ মহমেডানের। লাজং এফসি–কে ২–১ ব্যবধানে হারিয়ে একম্যাচ বাকি থাকতেই প্রথমবার আই লিগ চ্যাম্পিয়ন সাদাকালো ব্রিগেড। একই সঙ্গে আইএসএল খেলার সুযোগও পেয়ে গেল মহমেডান। সামনের মরশুমে আইএসএলে কলকাতার তিন প্রধানকে একসঙ্গে খেলতে দেখা যাবে। ভারতীয় ফুটবলে আবার ফিরে আসছে বাংলার আধিপত্য। ২৩ ম্যাচে ৫২ পয়েন্টে পৌঁছে গেল মহমেডান। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শ্রীনিধি ডেকানের ২২ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট। বাকি দুটি ম্যাচ জিতলেও মহমেডানকে ধরতে পারবে না শ্রীনিধি।
লাজং এফসি–র বিরুদ্ধে ড্র করলেই আই লিগ চ্যাম্পিয়ন। যদিও মহমেডানের কাছে কাজটা সহজ ছিল না। লাজংয়ের ঘরের মাঠে পয়েন্ট তোলা খুবই কঠিন। তবুও শুরু থেকেই মরিয়া ছিল মহমেডান। ম্যাচ সবেমাত্র ৫০ সেকেন্ড গড়িয়েছে। মাঠের দর্শকরা তখনও নিজেদের আসনে ঠিকভাবে বসেননি। লাজং সীমানায় সেন্টার লাইনের ডানদিকে বল পেয়েছিলেন অ্যালেক্সিজ গোমেজ। মাথা তুলে দেখে নেন লাজং এফসি গোলকিপার গোল ছেড়ে এগিয়ে রয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে ডানপায়ের লম্বা চিপ। লাজং গোলকিপার নেট্টোর মাথা টপকে বজ জালে। প্রথম মিনিটেই মহমেডানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যালেক্সিজ।
পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে লাজং এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ফালাফালা করে দেয় মহমেডান রক্ষণকে। ১৪ মিনিটে মার্কোস সিলভা বল নিয়ে বক্সে ঢুকে গিয়েছিলেন। তাঁকে ফাউল করেন ইর্শাদ। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান ডগলাস টারডিন। ২০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল লাজংয়ের সামনে। মহমেডানকে বাঁচিয়ে দেয় পোস্ট। ডগলাসের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
৩৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যেতে পারত মহমেডান। ৬ গজ বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া বিকাশ সিংয়ের শট কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান লাজং গোলকিপার। এরপর বেশ কয়েকটা সুযোগ এসেছিল লাজংয়ের সামনে। মহমেডান গোলকিপার পদম ছেত্রি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দলের পতন রোধ করেন। ম্যাচের প্রথমার্ধে ফলাফল থাকে ১–১। মহমেডানের তুলনায় বেশি সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি লাজং।
দ্বিতীয়ার্ধেও লাজং এফসি–র দাপট ছিল। ৫৯ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল। এবারও আটকে দেন পদম ছেত্রি। প্রতিআক্রমণে উঠে এসে ৬২ মিনিটে এগিয়ে যায় মহমেডান। নিজের সীমানা থেকে ভেসে আসা লম্বা বল ধরে এগিয়ে গিয়ে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে দলকে এগিয়ে দেন কাসিমভ। এই গোলের পর কাসিমভকে তুলে নিয়ে জুয়ান কার্লোস নেলারকে মাঠে নামান মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল বিকাশ সিংয়ের সামনে। বাঁদিক থেকে বক্সে ঢুকে শট নিয়েছিলেন। লাজং গোলকিপারকে পরাস্ত করে অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৭৩ মিনিটে আবার ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল মহমেডানের সামনে। আঙ্গুসানার ডিফেন্স চেরা থ্রু ফাঁকায় পেয়ে গিয়েছিলেন কোজলভ। একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে কোজলভকে আটকে দেন লাজং গোলকিপার। শেষ দিকে বিকাশ সিংকে তুলে জেমস সিংকে নামিয়ে রক্ষণ মজবুত করেন চেরনিশভ। ফলে লাজংয়ের পক্ষে সমতা ফেরানো সম্ভব হয়নি।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!