- এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
- এপ্রিল ১৩, ২০২৪
মধুরেণ সমাপয়েত হল না মহমেডানের, শেষ ম্যাচে দিল্লি এফসি–র কাছে হার আই লিগ চ্যাম্পিয়নদের
‘মধুরেণ সমাপয়েৎ’ বলে বাংলায় একটা কথা আছে। মহমেডানও চেয়েছিল ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচ জিতে আই লিগের সেলিব্রেশনটা সমর্থকদের সামনে সেরে ফেলতে। কিন্তু ‘মধুরেণ সমাপয়েৎ’ হল না সাদাকালো ব্রিগেডের। আত্মতুষ্টির খেসারত দিয়ে ঘরের মাঠে দিল্লি এফসি–র কাছে হারতে হল। ম্যাচের ফল ৩–১। যদিও খেতাব জয়ে কোনও প্রভাব পড়ল না। ম্যাচ হেরেও আই লিগ জয়ের উৎসবে মেতে ওঠেন সমর্থকরা।
অ্যাওয়ে ম্যাচে এই দিল্লি এফসি–র বিরুদ্ধেই ২–১ ব্যবধানে জিতেছিল মহমেডান। চেরনিশভ চেয়েছিলেন ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচে জয় দিয়েই মরশুম শেষ করতে। কিন্তু তাঁর ইচ্ছে পূরণ হল না। প্রথম একাদশের ৫ জন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারের না থাকাটাই পার্থক্য গড়ে দিল। চোটের জন্য এদিন খেলতে পারেননি গোলকিপার পদম ছেত্রি, জোসেফ, অ্যালেক্সিজ ও লালরেমসাঙ্গা। আর কার্ড সমস্যার জন্য ছিলেন না জুইডিকা। এই ৫ ফুটবলার না থাকায় খেলায় প্রভাব পড়েছিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল দিল্লি এফসি–র। ৭ মিনিটের মাথায় অ্যালিসার হলমুরোদভের গোলে এগিয়ে যায় দিল্লি। কর্ণার থেকে ভেসে আসা বলে হেডে তিনি গোল করেন। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে হতদ্যোম হয়ে পড়েনি মহমেডান। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি করে। কিন্ত কাজে লাগাতে পারেনি। ৩১ মিনিটে দিল্লির হয়ে ব্যবধান বাড়ান গায়ারি। প্রথমার্ধে ম্যাচের পল ছিল ২–০।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় ফেরার জন্য মরিয়া ছিল মহমেডান। একাধিক সুযোগ তৈরিও করে। কিন্তু আক্রমণভাবে অ্যালেক্সিজের অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। ম্যাচের ইনজুরি সময়ের ৮ মিনিটের মাথায় গৌরব রাউথের সেন্টার থেকে সার্জিও বারবোসা দিল্লির হয়ে তৃতীয় গোল করেন। পরের মিনিটেই বক্সের বাইরে ২৫ গজ দুর থেকে বাঁপায়ের জোরালো শটে মহমেডানের হয়ে ব্যবধান কমান কাশিমভ। ২৪ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে আই লিগ শেষ করল মহমেডান। ৪৮ পয়েন্টে রানার্স হল শ্রীনিধি ডেকান।
❤ Support Us






