Advertisement
  • এই মুহূর্তে মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • জুন ৬, ২০২৪

সুনীলকে ঘিরে আবেগের মর্যাদা দিতে পারলেন না সতীর্থরা, দেশের হয়ে জীবনের শেষ ম্যাচে জয় অধরা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
সুনীলকে ঘিরে আবেগের মর্যাদা দিতে পারলেন না সতীর্থরা, দেশের হয়ে জীবনের শেষ ম্যাচে জয় অধরা

দেশের হয়ে জীবনের শেষ আন্তর্জার্তিক ম্যাচ সুনীল ছেত্রীর। ভারত–কুয়েতের লড়াইয়ের থেকেও বৃহস্পতিবার বেশিমাত্রায় দেখা গেল ‘‌সুনীল আবেগ’‌। এটাই তো স্বাভাবিক। ভারতীয় ফুটবলের একটা অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হতে চলেছে। সুনীলের ছবি, ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার নিয়ে যেমন হাজির ছিলেন সমর্থকরা, তেমনই গ্যালারিতে হাজির সুনীলের প্রাক্তন সতীর্থ রেনেডি সিং, মেহতাব হোসেন, রহিম নবি, দীপেন্দু বিশ্বাস, রবিন সিংরা। সুদূর কেরল থেকে ছুটে এসেছিলেন আইএম বিজয়নও। কিন্তু সুনীলকে ঘিরে আবেগের মর্যাদা দিতে পারলেন না তাঁর সতীর্থরা। ৫৮৯২১ হাজার দর্শকের সামনে জীবনের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয় অধরা থেকে গেল সুনীল ছেত্রীর।

বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে কুয়েতের বিরুদ্ধে ভারতের কাছে ম্যাচ ছিল মরণবাঁচনের। তৃতীয় রাউন্ডে জেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। কিন্তু ইতিহাস গড়া হল না ভারতের। কুয়েতের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে তৃতীয় রাউন্ডের স্বপ্ন শেষ। যদিও ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল কুয়েতের। ৪ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। মহম্মদ আব্দুলার শট ভারতীয় দলের গোলকিপার গুরপ্রীত সিংয়ের পায়ে লেগে সাইড নেটে আছড়ে পড়ে। এরপর একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ভারতীয় রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল কুয়েত। ভারতও প্রতিআক্রমণে উঠে এসে আঘাত হানার চেষ্টা করছিল। তবে গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। ২৫ মিনিটে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল কুয়েতের সামনে। এক্ষেত্রেও আলরশিদির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান গুরপ্রীত। সেই অর্ধে গোল করার মতো পজিটিভ সুযোগ আসেনি ভারতের সামনে। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল থাকে গোলশূন্য।

দ্বিতীয়ার্ধে সাহাল আব্দুল সামাদের পরিবর্তে রহিম আলি ও অনিরুদ্ধ থাপার পরিবর্তে ব্রেন্ডনকে নামান ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। এতেই বদলে যায় ভারত। আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ভারত। শুরু থেকেই নাটক জমে ওঠে। ৪৭ মিনিটে আলহারবির শট দারুণভাবে সেভ করেন ভারতীয় দলের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ভারতের হয়ে দিনের সহজ সুযোগ নষ্ট করেন রহিম আলি। ক্লেইটন সিলভার উঁচু পাস ধরে বক্সে ঢুকে কুয়েত গোলকিপারকে একা পেয়েও তাঁর হাতে মারেন। ৫২ মিনিটে আলরশিদির শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে কোনও রকমে কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান গুরপ্রীত। বাকি সময় আক্রমণ প্রতি আক্রমণে খেলা জমে উঠলেও কোনও দলই গোল করতে পারেনি।

ম্যাচের পর আবেগ সরিয়ে রাখতে পারেননি সুনীল। অশ্রুসিক্ত চোখে গোটা মাঠ ঘুরে দর্শকদের অভিবাদন গ্রহন করেন। সতীর্থরা অভিবাদন জানানোর সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। গ্যালারিতেও আবেগ। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। ম্যাচের পর সুনীলকে সংবর্ধিত করা হয়। তাঁর অবসরের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় ফুটবলের একটা অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হল।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!