- এই মুহূর্তে দে । শ
- মার্চ ২৫, ২০২৩
মার্কিন মুলুকে ভারতীয় দূতাবাসের বাইরে প্রবাসী ভারতীয়দের জমায়েত। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে ভারতীয়ত্বের নতুন জয়গাথা
সান ফ্রান্সিসকোর দূতাবাসের বাইরে সমস্ত প্রবাসী ভারতীয়রা এক সমাবেশে মিলিত হয়েছেন। গত রবিবার কনসুলেটের অফিসে খলিস্তাপন্থীদের তাণ্ডব চালনোর বিরুদ্ধে তাঁরা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। হিন্দু মুসলমান ও শিখ ধর্ম নির্বিশেষে শতাধিক মানুষ এই জমায়েতে হাজির হয়েছেন। তাঁদের দাবি, মার্কিন সরকার অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করুক।
ভারতীয় দূতাবাসের প্রতি সংহতি জানাতে অভিবাসীরা আমেরিকা ও ভারত দুই দেশের পতাকা নিয়ে হাজির হয়েছেন। দফতরের কিছু দূরে রয়েছে খলিস্তান সমর্থকদের শিবির। সংবাদ সংস্থার খবর, প্রবাসী ভারতীয়রা যখন ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও বন্দে মাতরম বলে শ্লোগান তুলছিলেন সে সময় বিচ্ছিন্নতাবাদের অনুগামীদের সঙ্গে তাঁদের কথা কাটাকাটি হয়। যদিও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
মার্কিন কংগ্রেসের নির্বাচনের পদপ্রার্থী অনাবাসী রিতেশ ট্যান্ডন জানিয়েছেন, ভারতীয়দের জন্য আজ গর্বের দিন। ধর্মের ভেদাভেদের উর্দ্ধে উঠে সব ভারতীয়রা এক মঞ্চে এসে উপস্থিত হয়েছেন এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি সানফ্রান্সিসকো সরকারকে তাঁদের দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার জন্য ধিক্কার জানিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রশাসন নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে যেমন ব্যর্থ তেমনি দেখা যাচ্ছে যে, তাঁরা খলিস্তান সমর্থকদের দূতাবাস ভবনের বাইরে শিবির গড়তে অনুমতি দিয়েছেন। আর এখনও পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাউকে গ্রেফতারও করেননি। তাঁর দাবি, অবাঞ্ছিত হিংসার এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। কূটনীতিবিদ ও পররাষ্ট্রদূতদের ওপর আক্রমণ কোনোমতেই বরদাস্ত করা যায় না।
শনিবার ভারতে স্বঘোষিত ধর্মগুরু অমৃত পালকে অনুসন্ধানের জন্য তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ আধিকারিকরা। গ্রেফতার করা হয় তাঁর একাধিক অনুগামীদের। ঘটনার রেশ ছড়িয়ে পড়ে সাগর পারেও। লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে পতাকা নামিয়ে দেওয়ার ঘটনা যেমন ঘটে ঠিক তেমনি সান ফ্রান্সিসকোতে হামলা চালায় একদল খলিস্থান সমর্থক। বিষয়টিকে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়রা ভালোভাবে নেননি। আজকের জমায়েত তারই প্রতিফলন।
❤ Support Us






