Advertisement
  • দে । শ প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ১৫, ২০২৩

আইনের ভাষা হোক প্রাঞ্জল, প্রকারান্তরে হিন্দির পক্ষে ব্যাটিং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর—’অস্থায়ী’ শব্দই ৩৭০ প্রত্যাহারের চাবিকাঠি । কাশ্মীর নিয়ে নেহরুর গণভোটের প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে গেলেন অমিত

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
আইনের ভাষা হোক প্রাঞ্জল, প্রকারান্তরে হিন্দির পক্ষে ব্যাটিং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর—’অস্থায়ী’ শব্দই ৩৭০ প্রত্যাহারের চাবিকাঠি । কাশ্মীর নিয়ে নেহরুর গণভোটের প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে গেলেন অমিত

সরকারি আমলাদের প্রশিক্ষণ শিবিরে সহজ, সরল প্রাঞ্জল ভাষায় লিখিত আইনের পক্ষে সওয়াল করলেন অমিত শাহ। তাঁর মতে, খসড়া বিধি এমন ভাবে রচনা হওয়া উচিত যাতে আগামী ২৫ বছরে তা নিয়ে যেন কোনো বিতর্ক না তৈরি হয় বা আদালতের হস্তক্ষেপ না করতে পারে। আইনি ভাষায় অষ্পষ্টতা থাকলে আদালত সহজেই সেই আইনকে লঙ্ঘন করতে পারে বা এড়িয়ে যেতে পারে। তাই কোন ধরনের ভাষা প্রয়োগ করা হচ্ছে তার সম্যক রূপে অবহিত হওয়া জরুরি।

দেশের বিভিন্ন মন্ত্রক ও প্রশাসনিক দপ্তরে যোগদান করতে চলা আমলাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আইন , শাসন ও বিচার গণোতন্ত্র দাঁড়িয়ে রয়েছে এ তিন স্তম্ভের ওপর। তার মধ্যে আইন রচনা হল সবথেকে অপরিহার্য অঙ্গ। তাই সে সম্পর্কে যদি সুষ্পষ্ট ধারণা না থাকে, তাহলে আইন গুলো যে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে যায় তাই নয়, সমগ্র গণতান্ত্রিক কাঠামোতেই ধীরে ধীরে ভাঙন ধরে। নেতিবাচক প্রভাব বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতার ওপর। তাই আইন যিনি লিখবেন তাঁকে যতিচিহ্নের ব্যবহার ও  শব্দের প্রয়োগ প্রভৃতি দিক  সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। জোর দিতে হবে আইনের প্রতিটি ধারার  পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরনের ওপর।

একইসঙ্গে আইন রচনায় ইংরাজি ভাষার বহুল প্রয়োগের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। তাঁর মতে, খসড়া বিধি রচনায় আইনপ্রণেতার উদ্দেশ্য প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। সংশয়ের কোনো জায়গা, লিখিত ধারাগুলোতে থাকা কাঙ্ক্ষিত নয়। তাতে আইনলঙ্ঘনের সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায় । আইনসভা কী চায় তার সুষ্পষ্ট ছাপ যেন সংকলিত বিধিতে থাকে। ইংরেজি ভাষায় আইনের বয়ান তৈরি হলে তার প্রণয়নে ও প্রয়োগের মধ্যে ব্যবধান থাকবেই।

নিজের বক্তব্যের সমর্থনে কাশ্মীর প্রসঙ্গর অবতারণা করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। ভারতের সংবিধান প্রণেতাদের প্রশংসা করে বলেন, যাঁরা সংবিধান লিখেছিলেন ৩৭০ ধারা প্রবর্তনের সময় অত্যন্ত সুকৌশলে ‘অস্থায়ী’ শব্দের উল্লেখ করেছিলেন। যে কারণে সে আইন প্রত্যাহারে কোনো অসুবিধা হয়নি। লক্ষ্যণীয়, গণভোটের মাধ্যমে ৩৭০ ধারা অবসানের যে কথা ভারতের তখনকার প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বলেছিলেন তা সুকৌশলে এড়িয়ে গেলেন গান্ধীনগরের নির্বাচিত সাংসদ।

 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!