Advertisement
  • দে । শ
  • মার্চ ৪, ২০২৩

ছাত্রীদের শরীরে বিষ গ্যাস। বিদেশি শত্রুদের দায়ী করলেন ইরানের প্রেসিডেণ্ট–দেশের স্থিতি নষ্ট করতে মরিয়া স্থায়ী দুশমনরা। আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ছাত্রী-অভিভাবকদের মধ্যে

বহিঃশত্রু কারা, বলেননি রাইসি। নজরে আমেরিকা,ইসরাইল নয় তো ?

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ছাত্রীদের শরীরে বিষ গ্যাস। বিদেশি শত্রুদের দায়ী করলেন ইরানের প্রেসিডেণ্ট–দেশের স্থিতি নষ্ট করতে মরিয়া স্থায়ী দুশমনরা। আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ছাত্রী-অভিভাবকদের মধ্যে

চিত্র : সংবাদ সংস্থা

নতুন অভিযোগ খাড়া করলেন ইরানের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম রাইসি। শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে রাজধানী তেহরানের বিশাল সমাবেশে বলেছেন, স্কুল বালিকাদের শরীরে বিষ গ্যাস প্রয়োগের ঘটনায় বহিঃশত্রুরা জড়িত। দেশের স্থিতি ওরা নষ্ট করতে চাইছে। ছাত্রী আর তাদের অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক জাগিয়ে তুলেছে। সরকার এব্যাপারে সতর্ক এবং কঠোর প্রতিরোধ করতে অঙ্গীকার বদ্ধ। বহিঃশত্রু বলতে প্রেসিডেণ্ট রাইসি বিশেষ কোনো দেশের নাম করেননি। সাধারণত তেহরান, পশ্চিমের আমেরিকা আর মধ্য এশিয়ার ইসরাইল ও প্রতিবেশী কয়েকটি রাষ্ট্রকে ঘরোয়া ব্যাপারে হস্তক্ষেপের জন্য দায়ী করতে অভ্যস্ত। ছাত্রীদের শরীরে বিষপ্রয়োগের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওইসব দেশগুলোকেই প্রকারান্তরে দায়ী করছে। ১৯৭৯ সালের শিয়া বিপ্লবের পর থেকে এ পর্যন্ত আমেরিকার সঙ্গে তেহরানের সম্পর্কে তিক্ততা বইছে। সুন্নীআরবের দেশগুলোর সঙ্গেও তার সদ্ভাব নেই। ইরান ,সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন,জর্ডন ও ইয়েমেনে শিয়া বিপ্লব প্রচার করতে সচেষ্ট। স্বভাবত প্রতিবেশী দেশগুলো তেহরানের ওপর রুষ্ট। ইরানও সুযোগ পেলেই তাদের দিকে বাড়িয়ে দেয় তার জঙ্গিপনার খড়্গ। ছাত্রীদের শরীরে বিষ গ্যাস প্রয়োগের ঘটনা কিংবা অভিযোগ ইরানে এই প্রথম। মেয়েদের অবদমন নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে নিন্দিত তাঁর ভূমিকা। পশ্চিমে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। নারীশিক্ষা রুখতে শিয়া শাসিত ইরানের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠছে, তার সত্যতা অপ্রমাণিত। ইরান পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাইছে বলেই অভিযোগের তীর বহিঃ শত্রুদের দিকে ছুঁড়তে শুরু করল। 


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!