Advertisement
  • এই মুহূর্তে দে । শ
  • মে ৬, ২০২৪

কাটোয়া ছাত্র মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য । হাসপাতাল থেকে নিথর দেহ বাড়ি আনতেই শুরু শ্বাস প্রশ্বাস, উঠছে চিকিৎসা গফিলতির অভিযোগ

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
কাটোয়া ছাত্র মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ।  হাসপাতাল থেকে নিথর দেহ বাড়ি আনতেই শুরু শ্বাস প্রশ্বাস, উঠছে চিকিৎসা গফিলতির অভিযোগ

সিঁড়ি থেকে পড়ে প্রাণ গেল দশমের ছাত্রের। ছাত্রটিকে মৃত বলে ঘোষণা করার পর হাসপাতাল থেকে দেহ বাড়িতে আনার কিছুক্ষণ বাদে চমক। শব্দ করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে, চোখ মেলে চারপাশ দেখে ফের চোখ বন্ধ করে। কাটোয়া শহরের মাধাইতলার বাসিন্দা দশমের পড়ুয়া দীপ সাহা (১৫)-র এই ‘বেঁচে ওঠা’ দেখে তাকে নিয়ে ফের কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ছোটেন তাঁর আত্মীয়রা। ডাক্তাররা অবশ্য দীপকে ‘মৃত’ বলেই ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বাড়ির সিঁড়ি থেকে অসাবধানতায় পড়ে জ্ঞান হারায় কাটোয়া শহরের ভারতী ভবন হাইস্কুলের মেধাবী পড়ুয়া দীপ। পরিবারের সদস্যরা তড়িঘড়ি দীপকে কাটোয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক দীপকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত বলে জানিয়ে দেন। দীপের কাকা তাপস সাহা বলেন, ‘দীপকে হাসপাতালে মৃত বলে জানিয়ে দিলে আমরা তার দেহ বাড়ি নিয়ে যাই। দীপকে ঘিরে যখন বাড়ির মহিলারা কান্নাকাটি করছিলেন, তখন হঠাৎ দীপ জোরে শ্বাস নেয়, চোখ খুলে তাকায়। আমরা ঘটনা জানতে পেরে ফের কাটোয়া হাসপাতালে নিয়ে আসি।’ গোটা ঘটনায় চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুললেন তাপসবাবু। তিনি বললেন, ‘দীপ যদি প্রথমবারেই ঠিকমত চিকিৎসা পেত, তাহলে হয়ত দীপ  বেঁচে যেত।’

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত  সুপার  সুশান্ত বরণ দত্ত বলেন, মৃত্যুর পর দেহের পেশী সংকোচনের ফলে অনেকসময় এরকম হয়। এটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় রিগর মর্টিস বলা হয়।’ আরও জানান, ‘মৃত্যুর কারণ জানতে আমরা একটি ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। সাধারণত মৃত্যুর চারঘন্টা পর  মৃতদেহ ছাড়া হয় এক্ষেত্রে কেন ৪ ঘন্টার আগেই তার দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল সে বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।’ দীপের এভাবে অকালে ‘নিভে যাওয়া’ মানতে পারছে না তার স্কুল ভারতী ভবন উচ্চবিদ্যালয়। গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতী ভবন হাইস্কুলের প্রধানশিক্ষক আনারুল হক, সহশিক্ষক তুষার পণ্ডিত-সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও দীপের সহপাঠীরা। ‘চলে যাওয়ার এত তাড়া!’ জিজ্ঞাসা আর বিস্ময় মিলেমিশে স্কুলের খিলান জুড়ে হাহাকার করে বেড়ায়।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!