শিবভোলার দেশ শিবখোলা
শিবখোলা পৌঁছলে শিলিগুড়ির অত কাছের কোন জায়গা বলে মনে হয় না।যেন অন্তবিহীন দূরত্ব পেরিয়ে একান্ত রেহাই পাবার পরিসর মিলে গেছে।
অভিযোগ, হিমন্তের মন্তব্যে সাম্প্রদায়িক উসকানি।
মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে, কংগ্রেসের সাংসদ আব্দুল খালেকের এফআইআর নথিভুক্ত করতে দিসপুর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি মহকুমার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রিট বিশ্বদীপ বরুয়া।
আব্দুল খালেক দুসাহসী, জনমুখী সাংসদ। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ আর উগ্রজাতীয়তাবাদের মোকাবিলায় তাঁর সুদৃঢ় উচ্চারণ, আপসহীন লড়াই সমাজের যে-কোনও বর্গকে প্রাণিত করে। বরপেটা জেলার যে-লোকসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়ে আজ তিনি লোকসভার লোকমান্য সদস্য, একসময় সে কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ, গোলাম ওসমানি এবং আরও অনেক বরেণ্য নেতা।অসমে চিত্র সাংবাদিক মৃতদেহের বুকের ওপর লাথি মারছেন। ভাইরাল ভিডিও ।
গত লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন আব্দুল খালেক । সংসদে, সংসদের বাইরে তাঁর সরব ও প্রতিবাদী ভূমিকা ইতিমধ্যে জনসাধারণ থেকে জনপ্রতিনিধি ও বুদ্ধিজীবীদের ইতিবাচক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। নাগরিকপঞ্জি, সংশোধিত নাগরিক আইন, ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে আসামের স্থায়ী বাসিন্দাদের হয়রানি, জাতিবিদ্বেষী নির্যাতন —এরকম প্রতিটি ইস্যুতেই লোকসভার ভেতরে ও বাইরে, তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণে আর প্রতিবাদে আব্দুল খালেক অতি অবশ্যই এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। কৌশলপূর্ণ রাজনীতিকদের আপোসপন্থার রীতিকে অতিক্রম করেই গত ২৯ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নামে সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ তুলে দিসপুর থানায় এফআইআর দায়ের করতে যান আব্দুল খালেক। থানা এফআইআর গ্রহণ করলেও নথিভুক্ত করেনি।
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাংসদের অভিযোগ ও অভিযোগটি নথিভুক্ত করতে থানার অস্বীকার—এই দুটি বিষয়কে ঘিরে অসমের রাজনীতিতে, সমাজজীবনে আলোড়ন তৈরি হয়। আব্দুল খালেক তাঁর অভিযোগ ও থানার নেতিবাচকতা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। সে অভিযোগের প্রেক্ষিতেই গুয়াহাটির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দিসপুর থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, বরপেটার সাংসদ মুখ্যমন্ত্রীর নামে যে সাম্প্রদায়িক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ করেছেন, সে এফআইআর নথিভুক্ত করতে হবে। স্মরণ করিয়ে দেওয়া জরুরি, কয়েক মাস আগে, অসমের দরং জেলায় সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদ অভিযানের মুহূর্তে গুলিতে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। ঘটনাচক্রে তাঁরা ভাষান্তরিত অসমিয়া। যুগ যুগ ধরে গোষ্ঠীবদ্ধভাবে ব্রক্ষ্মপুত্র অববাহিকার বাসিন্দা । বচনে, অভ্যাসে বাংলা এখনও তাঁদের পারস্পরিক যোগাযোগের ভাষা। বন্যায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে বারবার এই ভাগ্যপীড়িত জনগোষ্ঠীকে গৃহচ্যূত হতে হয়। অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুর সমস্যা প্রতিবছর তাঁদের ধাওয়া করে। সামাজিক বৈষম্য আর অন্যায় রেহাই দেয় না । এরকম এক জনপদের উচ্ছেদ অভিযানের সময় কয়েক মাস আগে দুই প্রান্তিক কৃষকের মৃত্যু হয়। অভিযোগ, তাঁদের মৃত্যুর পর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছিলেন, ১৯৮৩ সালের অসম আন্দোলন যখন চলছিল তখন এই এলাকায় দুই ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছিল। দরং জেলার গ্রামে ওই দুই মৃত্যুরই প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে । মুখ্যমন্ত্রীর আলটপকা মন্তব্যে চাপা অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে । সাংসদ আব্দুল খালেক তাঁর নামে এফআইআর করতে গেলে দিসপুর থানা তা গ্রহণ করলেও নথিভুক্ত করেনি। এবার স্বয়ং আদালত সাংসদের অভিযোগ গ্রহণ করে থানাকে বলেছে, মুখ্যমন্ত্রীর নামে সাংসদের নালিশ (এফআইআর) উড়িয়ে দেওয়া যাবে না, নথিভুক্ত করতে হবে ।
শিবখোলা পৌঁছলে শিলিগুড়ির অত কাছের কোন জায়গা বলে মনে হয় না।যেন অন্তবিহীন দূরত্ব পেরিয়ে একান্ত রেহাই পাবার পরিসর মিলে গেছে।
সৌরেনির উঁচু শিখর থেকে এক দিকে কার্শিয়াং আর উত্তরবঙ্গের সমতল দেখা যায়। অন্য প্রান্তে মাথা তুলে থাকে নেপালের শৈলমালা, বিশেষ করে অন্তুদারার পরিচিত চূড়া দেখা যায়।
মিরিক নামটি এসেছে লেপচা ভাষার “মির-ইওক” শব্দ থেকে, যার অর্থ আগুনে পুড়ে যাওয়া জায়গা।
15:34