- দে । শ
- জুলাই ১০, ২০২৫
পরিযায়ী শ্রমিকদের তথ্যভান্ডার তৈরিতে জোড় রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলায়
স্বাধীনতার পর থেকে উত্তর ২৪ পরগনার প্রান্তিক মহকুমা কৃষি নির্ভর এলাকা। আর আছে মাছ চাষ। শিল্প বলতে অসংগঠিত ক্ষেত্রে ইটভাটা ও বিড়ি শিল্প যুক্ত শ্রমিকরা। সে কারণে বসিরহাট মহকুমা থেকে বহু মানুষ ভিনরাজ্যে কাজ করতে যান। শ্রম দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বসিরহাট মহকুমায় পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৮২ হাজার। তবে এর বাইরে অনেকে আছেন যাদের নাম তালিকাভুক্ত করা যায় নি। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির অন্যতম রাজ্য সম্পাদক কৌশিক দত্ত বলেন, বাংলার বাইরে যত মানুষ পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজে যুক্ত তাদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা হবে। আইএনটিটিইউসির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা সভাপতি এটিএম আবদুল্লা রনি বলেন, বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, বাদুড়িয়া, হাড়োয়া, মিনাখাঁ থেকে বহু মানুষ তামিলনাড়ু, কেরল, গুজরাট, উত্তর প্রদেশে কাজ করতে যান। মুলত সেখানে তারা সেলাই, নির্মান শ্রমিক, হোটেলের রান্না, রুম বয়, হিসেবে কাজ করেন। ডাব বিক্রি, চায়ের দোকানের মত স্ট্রিট ফুড বিক্রি করেও অনেকে উপার্জন করেন। সেখানেও তারা অসংগঠিত শ্রমিক।
কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের বিভাজনের নীতির ফলে অন্যরাজ্যে গিয়ে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকরা সমস্যায় পড়ছেন। হিন্দু হোক বা মুসলমান বাংলা কথা বলে বলে তাদের সেখানকার পুলিশ স্থানীয় মানুষ হেনস্তা করছে বলে দাবি করেন এটিএম আবদুল্লা। তিনি বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকের সবার নাম সরকারি ভাবে নথিভুক্ত করা যায় নি। তার কারণ, প্রথমত, শ্রমিকদের সচেতনতার অভাব, দ্বিতীয়ত, ছুটি নিয়ে অন্য রাজ্য থেকে এসে নাম নথিভুক্ত করা অনেকের কাছে খরচ সাপেক্ষ। তৃণমূল শ্রমিক নেতা বলেন, ২১ জুলাই দলের সমাবেশ হয়ে গেলে প্রত্যেক পঞ্চায়েতে শিবির করে পরিযায়ী শ্রমিকের তথ্য সংগ্রহ করা হবে পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কল্যাণ প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে শ্রমিক পরিবার পায় তার ব্যবস্থা করা হবে। এআইইউটিইউসি অনুমোদিত অল ইন্ডিয়া মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক জয়ন্ত সাহা বলেন, ‘ভিন রাজ্যে কর্মরত পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম স্থায়ী ঠিকানার ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার যে পরিকল্পনা জাতীয় নির্বাচন কমিশন করতে চাইছে তা কার্যকর হলে দেশের কোটি কোটি নাগরিকেরভোটাধিকার বিপন্ন হবে।’
❤ Support Us





