Advertisement
  • খাস-কলম প্রচ্ছদ রচনা
  • মে ৩১, ২০২২

মেধাস্বত্ব তুলে নিশ্চিত করতে হবে মানুষের চিকিৎসার অধিকার, নইলে বাড়বে বৈষম্য, সঙ্কট

মানুষের স্বাস্থ্যের অধিকার নয়, কিছু ওষুধ নির্মাদের কাছে গুরত্ব পাচ্ছে মুনাফা, ফলে বাড়ছে বৈষম্য, বাড়বে সামাজিক সঙ্কট

ড. মুহাম্মদ ইউনূস
মেধাস্বত্ব তুলে নিশ্চিত করতে হবে মানুষের চিকিৎসার অধিকার, নইলে বাড়বে বৈষম্য, সঙ্কট

জেনেভায় সদ্য শেষ হল ৭৫তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেমব্লি । করোনা অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই আয়োজনে সবাই একটি বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছেছেন, বিশ্বজুড়ে, পরবর্তী অতিমারি মোকবিলার জন্য প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করা দরকার । প্রসঙ্গত মনে রাখা দরকার, হু এর সদস্য দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠই নিম্ন এবং মধ্য আয়ের দেশ, তাদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো দুর্বল । অতিমারির প্রকোপ শুধু সেখানকার জনগণের স্বাস্থ্যে নয়, ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলেছে তাদের অর্থনীতিতে। গোটা বিশ্ব যখন করোনা অতিমারি মোকাবিলায় নিজেদের বিপর্যয়, ব্যর্থতার হিসাব-নিকাশ শুরু করেছে, তখন বিশ্বের বিত্তশালী রাষ্ট্রগুলো অতিমারির বিষয়টিকে এড়িয়ে যেতে চাইছেন ।

ফলে শুধুই সহানুভূতি আর প্রতিশ্রুতি নয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে নিতে হবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ । অতিমারি রুখতে প্রয়োজনীয় টিকা এবং ওষুধ যেন শুধুমাত্র পুঁজিবাদের নিয়ন্ত্রণাধীন না হয়, তা সুনিশ্চিত করা জরুরি । বিশ্বজুড়ে সামাজিক ব্যবসার মডেলে স্বাস্থ্যপরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যেখানে টিকা ও ওষুধের উৎপাদন এবং সমবণ্টন সম্ভব । মুনাফা আর পুঁজিবাদের ভিত শক্ত করা এইপ্রকার ব্যবসা মডেলের লক্ষ্য নয়, বরং মানবিক সমস্যাগুলো সমাধান করাই এর উদ্দেশ্য । যেখানে ব্যবসার কর্ণধার একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাঁর বিনিয়োগকৃত টাকার বাইরে, বাড়তি লাভ করেন না । এ হলো বোনাসবিহীন একটা সংস্থা, যার লক্ষ্য সামাজিক সমস্যার সমাধান।

বিশ্বের তাবড় প্ৰশাসকরা চাইলে, যৌথ উদ্যোগ এ ধরনের একটা কাঠামো গড়ে জন্য পদক্ষেপ নিতেই পারেন । এই মুহূর্তে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার টিকা উৎপাদন ও বিতরণের জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলোকে কোটি কোটি ডলার অনুদান দিচ্ছে। সেই বিনিয়োগটাই যদি কোন সামাজিক ব্যবসায়ে নিযুক্ত ওষুধ কোম্পানিগুলোয় বিনিয়োগ করা যেত তবে টিকাবঞ্চিত মানুষদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়।

অতিমারি পরবর্তী সময়ে বিশ্বজুড়েই বৈষম্য বাড়ছে । করোনা অতিমারিরে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রাণ হারিয়েছেন দুই কোটিরও বেশি মানুষ । কোভিড প্রতিষেধক এখনো পাননি এমন মানুষদের বেশীরভাগই নিম্নবিত্ত বা সল্প আয়ের দেশের বাসিন্দা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ২০২২এর মধ্যে বিশ্বের ৭০ শতাংশ মানুষ যাতে কোভিড প্রতিষেধক পান, তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল । কিন্তু এবছর জুন পর্যন্ত নিম্ন আয়ের দেশগুলোরমাত্র ১৬ শতাংশ নাগরিক এক ডোজ টিকা পেয়েছেন । এই হারে টিকা বিতরণ হলে, লক্ষ্যে পৌঁছোতে আরও বেশী সময় লাগবে ।

অসমবন্টনের ফলে নিম্ন উপার্জনের দেশগুলোতে করোনা প্রতিষেধক পৌঁছোতে এক বছরেরও বেশি সময় লেগেছে । পাশাপাশি এটাও বাস্তব যে উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে টিকা নষ্টও হয়েছে অনেক। চাহিদা অনুসারে জোগানের খামতি যেমন ছিল, তেমনি আবার অতিরিক্ত ডোজ সংরক্ষণের পরিকাঠামোর অভাবও আছে এইসব দেশে। ফলে প্রতিষেধকের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওযার পরেও অনেক দেশে টিকাগুলো পৌঁছেছে । মোট কথা, নিম্ন আয়ের দেশগুলো যখন টিকা পেল তখন টিকাকরণের সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়ন তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি । কারণ কত সংখ্যক টিকা কখন আসবে তা তারা জানত না । ফলে টিকা পেয়েও তারা তাদের জনসংখ্যার একটা বড় অংশকে রক্ষা করতে পারল না। শুধু তাই নয়, টিকার উৎপাদন মূলত উত্তর গোলার্ধেই, অর্থাৎ ধনী দেশগুলোতেই কেন্দ্রীভূত । অন্যদিকে, প্রচলিত টিকার পরিবর্তে ভাইরাস প্রতিরোধী ওষুধ যখন এলো তখন ভাইরাসের সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকাতে টিকা গ্রহণকারী মানুষকে আবারও চিকিৎসার আবর্তন (সাইকেল) শুরু করতে হলো । ফলে গোটা বিষয়টা আরও অগোছাল হয়ে গেল।


টিকা উৎপাদন ও বিতরণের জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলো কোটি কোটি ডলার অনুদান পাচ্ছে । কিন্তু মানুষের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার না দিয়ে একতরফা মুনাফা লাভেই তারা মরিয়া । এবছর বহুজাতিক ওষুধ নির্মানকারী দুই সংস্থা প্লাকস্লভিড ও লাজেভ্রিও ট্যাবলেট উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করেছে, তার প্রায় সবই বিত্তশালী দেশগুলো আগাম বড়াত দিয়ে কিনে ফেলেছে । পাশাপাশি এই ট্যাবলেট আর কারা উৎপাদন করতে পারবে, তাও ঠিক করে দিয়েছে ওই দুই সংস্থা । ফলে বিশ্বজুড়ে চিকিৎসার অধিকারের বঞ্চনা বাড়বে ।


এবছর বহুজাতিক ওষুধ নির্মানকারী সংস্থা ফাইজার এবং মার্ক তাদের প্লাকস্লভিড ও লাজেভ্রিও ট্যাবলেট উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করেছে, তার প্রায় সবই বিত্তশালী দেশগুলো আগাম বড়াত দিয়ে কিনে ফেলেছে । পাশাপাশি এই ট্যাবলেট আর কারা উৎপাদন করতে পারবে, তাও ঠিক করে দিয়েছে ওই দুই সংস্থা । ওই দুই ওষুধ উৎপাদনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিশ্বের বহু দেশ । ফলে আবারও ওষুধকে ঘিরে বৈষম্য বাড়বে । ওষুধ নির্মাতা ফাইজার এও দাবি করেছে যে, ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র যদি তাদের প্লাকস্লভিড উৎপাদন করে তাহলে কোম্পানিটির নাকি ‘মানবাধিকার’ খর্ব হবে। কী জঘন্য মনোবৃত্তি।

টাকাই ক্ষমতার উৎস- এটা সর্বজন গ্রাহ্য । ফলে অতিমারি মোকাবিলায়, চিকিৎসা পরিষেবাকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে চরম অমানবিক পূঁজিবাদের আস্ফালন আর নির্মম বৈষম্য চলছে । চিকিৎসা পরিষেবা ও ওষুধ ব্যবসায় বাড়তি মুনাফা আর সম্পদ আরোহণই এখন মূল লক্ষ্য । তাই একটি ওষুধ কোম্পানি তার কাছেই পণ্য বেচে, যে তার সর্বোচ্চ দাম দিতে পারে এবং যার মাধ্যমে কোম্পানিটির মুনাফাও সর্বোচ্চ হয়। এখানে ন্যায্যতার বিষয়টি ব্রাত্য থেকে যায়। জীবন রক্ষাকারী ওষুধ পাওয়া যে-কোনো মানুষের অধিকার, তা বিবেচনায় থাকে না। এ ব্যবস্থায় মানুষের স্বাস্থ্যের অধিকারের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না ।

এ নির্মম অন্যায্যতার প্রেক্ষাপটে করোনার টিকা, চিকিৎসা ও পরীক্ষা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দ্রুত অর্থায়ন জরুরি । এই ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থায় একমাত্র জি-১০ভুক্ত সম্পদশালী দেশগুলোই সুবিধাভোগী; বিশ্বের বাকি দেশগুলোর ত্যাগের বিনিময়ে এরা লাভবান হচ্ছে। অথচ চাইলে চিকিৎসা পরিষেবায় এই বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব । প্রক্রিয়া শুরু করার জন্যই ,সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে আহ্বান জানিয়েছি, বিশ্বব্যাপী টিকাকরণ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য । সামাজিক ব্যবসায়কেন্দ্রিক ওষুধ কোম্পানি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছি । যেখানে ওষুধ নির্মানকারী সংস্থাগুলো টিকা ও ওষুধ উৎপাদন করবে এমন সব জায়গায়, যেখানে ইতোপূর্বে তা পৌঁছেনি , যারা বর্তমান ব্যবস্থায় টিকা থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে । তারা ওষুধ বেচবে উৎপাদন মূল্যে; কোনো ওভারহেড খরচ বা মুনাফার বিষয় সেখানে থাকবে না । প্রয়োজনে কোম্পানিগুলো স্বল্প আয়ের মানুষ যে দামে কিনতে পারে সে দামে ওষুধ বিক্রি করবে । এ জন্য ভর্তুকি দেওয়া হবে । এই একেবারে জলের মতো স্বচ্ছ বিষয়টা নিশ্চিত করেই, একেবারে নিচ থেকে সব জায়গায় সবার কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে, বিদ্যমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থা তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটির সমাধান করতে পারে । তার জন্য একদিকে মেধাস্বত্ব আইন ও বিধিগুলো প্রত্যাহার করতে হবে, আরেকদিকে সামাজিক ব্যবসায়-সংক্রান্ত উদ্যোগগুলো গ্রহণ করতে হবে ।


এখনই অতিমারি-সংক্রান্ত চিকিৎসা থেকে মেধাস্বত্বের বিষয়টি তুলে দিয়ে, ওষুধ শিল্পে সামাজিক ব্যবসায় মডেল চালু করার চরম সময় । আমরা যদি দাতব্য মডেল থেকে ধীরে ধীরে সামাজিক ব্যবসায় মডেলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই তাহলে প্রথমেই আমাদের স্থানীয়ভাবে করোনার টিকা, পরীক্ষা, চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন ও বিতরণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে


মেধাস্বত্ব তুলে দিয়ে বিশ্বব্যাপী টিকা উৎপাদনকে উৎসাহিত করার বিষয়টি ইতিমধ্যে আলোচিত। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো এ বিষয়ে বিশ্বমঞ্চে করোনার শুরু থেকেই এবিষয়ে সোচ্চার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক, ধনী দেশগুলো এখনও বিষয়টাকে গুরুত্ব দিতে আগ্রহী নয় । তাদের কেউ কেউ বিষয়টা এড়িয়ে যাচ্ছে। কেউবা ধরি মাছ না ছুঁই পানি মার্কা কথা বলছে; তা কার্যকর করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া তো দূরের কথা । ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ড এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনা চিকিৎসায় ওই মেধাস্বত্ব তুলে নেওয়ার পথে বাধা তৈরি করে রেখেছে । যুক্তরাষ্ট্র টিকার ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ব তুলে দেওয়ার কথা বললেও চিকিৎসার জন্য তা প্রযোজ্য হোক, এমনটা চাইছে না ।

আসলে ধনী দেশগুলোও বুঝতে পেরেছে যে, করোনা বিষয়ে তাদের ওপর রাজনৈতিক চাপ ধীরে ধীরে কমে আসছে । ওই দেশগুলোতে করোনার প্রথম, দ্বিতীয় ও এমনকি তৃতীয় ঢেউ চলাকালে যেভাবে ব্যাপক হারে মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, বেঘোরে জীবন দিয়েছে, তা ইতোমধ্যে কমে গেছে । সেখানে সাম্প্রতিক সময়ে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আবিস্কৃত হলেও তা ততটা মারাত্মক বলে মনে হচ্ছে না । তাই উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর নেতারা করোনা চিকিৎসায় মেধাস্বত্ব তুলে দেওয়ার বিষয়ে কান দিতে রাজি হচ্ছে না ।

তবে সংকটের মাত্রা ও গভীরতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখনই অতিমারি-সংক্রান্ত চিকিৎসা থেকে মেধাস্বত্বের বিষয়টি তুলে দেওয়া এবং ওষুধ শিল্পে সামাজিক ব্যবসায় মডেল চালু করার চরম সময় । আমরা যদি দাতব্য মডেল থেকে ধীরে ধীরে সামাজিক ব্যবসায় মডেলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই তাহলে প্রথমেই আমাদের স্থানীয়ভাবে করোনার টিকা, পরীক্ষা, চিকিৎসা সরঞ্জাম উৎপাদন ও বিতরণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে ।

আমার প্রস্তাব , এ প্রক্রিয়ায় পরবর্তী প্রজন্মের করোনা টিকা উৎপাদিত হবে এবং সেগুলো বিশ্বের সব মানুষের জন্য সহজলভ্য করা হবে, যাতে দক্ষিণ গোলার্ধের মানুষদের পুরোনো ভোঁতা হাতিয়ার দিয়ে আগামী দিনের ভাইরাসকে মোকাবিলা করতে না হয় । ফলে ভবিষ্যতে নতুন কোনো ভাইরাসের কারণে এভাবে বেঘোরে মানুষের জীবন হারানোর ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনবে। মোদ্দা কথা, ওই পরিস্থিতিতে প্রাণঘাতী কোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে মানব জাতির লড়াইকে সহজ করবে, বিজয়কে ত্বরান্বিত করবে। এর পাশাপাশি আগামী দিনের যে কোনো স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় তা মডেল হিসেবে কাজ করবে।
সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি । চাইলে এখনও সবার জন্য স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব; গড়ে তোলা সম্ভব একটা ন্যায্য বিশ্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, যেখানে মুষ্টিমেয় ওষুধ কোম্পানির মুনাফার চেয়ে মানুষের জীবন অগ্রাধিকার পাবে ।

 সৌজন্য:  মার্কিন স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকী স্ট্যাটনিউজ ডটকম। ভাষান্তর টিম আরম্ভ।


❤ Support Us
Advertisement
Advertisement
শিবভোলার দেশ শিবখোলা স | ফ | র | না | মা

শিবভোলার দেশ শিবখোলা

শিবখোলা পৌঁছলে শিলিগুড়ির অত কাছের কোন জায়গা বলে মনে হয় না।যেন অন্তবিহীন দূরত্ব পেরিয়ে একান্ত রেহাই পাবার পরিসর মিলে গেছে।

সৌরেনি আর তার সৌন্দর্যের সই টিংলিং চূড়া স | ফ | র | না | মা

সৌরেনি আর তার সৌন্দর্যের সই টিংলিং চূড়া

সৌরেনির উঁচু শিখর থেকে এক দিকে কার্শিয়াং আর উত্তরবঙ্গের সমতল দেখা যায়। অন্য প্রান্তে মাথা তুলে থাকে নেপালের শৈলমালা, বিশেষ করে অন্তুদারার পরিচিত চূড়া দেখা যায়।

মিরিক,পাইনের লিরিকাল সুমেন্দু সফরনামা
error: Content is protected !!