- দে । শ
- সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৫
টাকির বিজয়ার গৌরব ফেরাতে উদ্যোগী পুরসভা। বিএসএফ–বিজিবির বৈঠকে সদর্থক আলোচনা।
টাকির বিজয়ার গৌরব ফেরাতে উদ্যোগী পুরসভা, দু’দেশের প্রশাসন। বিএসএফ–বিজিবির বৈঠকে সদর্থক আলোচনা। দশমীতে টাকির বিজয়াকে আপন ঐতিহ্য বজায় রাখতে এবারে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে টাকি পুরসভা। এবিষয়ে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ও বাংলাদেশের বিজিবির মধ্যে বৈঠক হয়েছে। সেখানে টাকি পুরসভা, বসিরহাটের পুলিশ ও বিডিও সহ প্রশাসনিক কর্তা ও বাংলাদেশের দেভাটা ও শ্রীপুরের প্রশাসনিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ভারত–বাংলাদেশের সীমান্তে ইছামতী নদীর বুকে লঞ্চের ওপর এই বৈঠক হয়। টাকির পুরপ্রধান সোমনাথ মুখার্জি, উপপুরপ্রধান ফারুক গাজি, হাসনাবাদের এসডিপিও ওমর আলি, আইসি গোপাল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। আমরা আশাবাদী এবারে আবহাওয়া ভালো থাকলে টাকির বিজয়া অনেকটা আগের মেজাজে দেখা যাবে।
দশমীর দিন টাকির ইছামতীর বুকে প্রতিমা নিরঞ্জনে খন্ডিত বংলার মিলনোৎসবে পরিণত হয়। দু’ দেশের মানুষ সীমান্তের বিধিনিষেধ ভুলে উৎসবে মেতে ওঠে বিজয়ার দিনে। পঞ্জিতা মেনেই টাকির বিজয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে নানা কারণে সেই মিলনোৎসবের সুর যেন কেটে গেছে। দুই বাংলার মিলন ঘিরে উৎসবে ভাটা পড়ে। টাকির বিজয়া তার গরিমা হারায়। এবারে গরিমা ফেরাতে টাকি পুরসভা বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। টাকি পুরসভার তরফ থেকে বাংলাদেশের প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে যাতে ওদেশের প্রতিমা নদীতে নামে। টাকি পুরপ্রধান সোমনাথ মুখার্জি বলেন, আমরা বিজিবি কর্তাদের মাধ্যমে আমরা চিঠি পাঠিয়েছি যাতে ওপার বাংলায় যে পুজো হচ্ছে সেই সব প্রতিমা ইছামতীরে আগের মত বিসর্জন দেওয়া হয়। তাতে দু’দেশের মানুষ আবার ইছামতীর পারে ভীড় জমাবেন। সোমনাথ বলেন, এছাড়াও টাকি পুরসভা ঘোষণা করেছে টাকির যেসমস্ত ক্লাব তাদের প্রতিমা নৌকায় তুলে নদীতে শোভাযাত্রায় অংশ নেবে তাদের ১০ হাজার টাকা অনুদান দেবে পুরসভা। তিনি বলেন, আমরা নৌকার মাঝিদেরকে নির্দেশ দিয়েছি তাতে বিজয়ার দিন অস্বাভাবিক নৌকা ভাড়া না হাঁকেন যাতে মানুষ নৌকা চড়তে বিমুখ হন। এছাড়া পুরসভা ও প্রশাসন থেকে নিরাপত্তার সবরকম ব্যবস্থা, পানীয় জল, নদীর পাড়ে আলো, পার্কিং, শৌচাগারের ব্যবস্থা করবে। পুরপ্রধান সোমনাথ ও উপপুরপ্রধান ফারুক গাজি বলেন, ২ অক্টোবর সকাল ১০ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ইছামতীতে প্রতিমা নিরঞ্জন হবে।
❤ Support Us






