- Uncategorized এই মুহূর্তে দে । শ
- নভেম্বর ১৭, ২০২২
পোল্যান্ডে আঘাত হানা ক্ষেপনাস্ত্র ইউক্রেনের ছুঁড়েছে, জানাল ন্যাটো
পোল্যান্ডে আছড়ে পড়া ক্ষেপনাস্ত্র রাশিয়ার নয়। প্রাথমিক তদন্ত করে এমনই জানিয়েছে ন্যাটো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও বলেছেন, পোলান্ডে আঘাত করা ক্ষেপনাস্ত্র রাশিয়ার নয়। অন্যদিকে, পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ডুডাও স্বীকার করে নিয়েছেন, ক্ষেপনাস্ত্রটি রাশিয়া ছুঁড়েছে, তাঁদের কাছে তেমন কোনও প্রমাণ নয়। ন্যাটোর দাবি, ওই ক্ষেপনাস্ত্রটি ইউক্রেনের ছোঁড়া। সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পোল্যান্ডে আঘাত হেনেছে।
মঙ্গলবার ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে পশ্চিম পোল্যান্ডের প্রেজওডোও নামে একটা গ্রামে শস্য ক্ষেতের উপর একটা ক্ষেপনাস্ত্র। ওই ক্ষেপনাস্ত্র হানায় ২ জন গ্রামবাসী নিহত হন। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হয়েছিল পোল্যান্ডে যে ক্ষেপনাস্ত্র আঘাত করেছে, তা রাশিয়ার কাজ। তাদের দিকে অভিযোগের আঙুল উঠলেও এই ক্ষেপনাস্ত্র হানার কথা অস্বীকার করে রাশিয়া।
এরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জরুরি ভিত্তিতে ন্যাটোর বৈঠক ডাকে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, ওই ক্ষেপনাস্ত্র রাশিয়ায় তৈরি হলেও রাশিয়া তা নিক্ষেপ করেনি। ইউক্রেনের নেতা ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ন্যাটোর মতো, ওয়ারশ–এর মূল্যায়ন মারাত্মক ক্ষেপণাস্ত্রটি সম্ভবত ইউক্রেন নিক্ষেপ করেছিল। পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ডুডা বলেছেন, ‘আমাদের এবং আমাদের মিত্রদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তা থেকে এটা প্রমাণিত যে ক্ষেপনাস্ত্রটি সোভিয়েত ইউনিয়নে তৈরি এস–৩০০। এটা অনেক পুরনো ক্ষেপনাস্ত্র। রাশিয়া যে এটা উৎক্ষেপণ করেছে, তার কোনও প্রমাণ নেই।’
ওয়ারশ এবং ন্যাটো উভয়ই বলেছে যে , প্রেজওডো গ্রামে আঘাত করা ক্ষেপনাস্ত্রটি ইউক্রেনীয় বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র, যা রাশিয়ান ব্যারেজকে বাধা দেওয়ার জন্য উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
❤ Support Us








