- এই মুহূর্তে
- মে ৯, ২০২২
দিব্যাঙ্গনকে ইন্ডিগোর বিমানে উঠতে বাধা , তদন্তে খোদ সিন্ধিয়া
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরকে বিমানযাত্রায় বাধা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার প্রতিক্ৰিয়ায় তীব্র নিন্দার ঝড় । অমানবিক ঘটনার তদন্তে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া । বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরকে বিমানযাত্রায় বাধা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার প্রতিক্ৰিয়ায় তীব্র নিন্দার ঝড় । অমানবিক ঘটনার তদন্তে কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া । একটি টুইট বার্তায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া লেখেন, ‘এই ধরনের আচরণের কোনও ভাবেই সহ্য করা হবে না। কোনও মানুষকেই এর মধ্য দিয়ে যেতে হবে না! আমি নিজে বিষয়টির তদন্ত করছি। তদন্ত শেষ হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রবিবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনাটির তদন্ত করছে। ডিজিসিএ প্রধান অরুণ কুমার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন যে তারা ইন্ডিগোর কাছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে। গত শনিবার রাঁচি থেকে হায়দ্রাবাদ যাওয়ার জন্য নিজের মা, বাবার সঙ্গে বিমানবন্দরে আসে এক বিশেষচাহিদা সম্পন্ন এক কিশোর । কিন্তু তাদের বিমান যাত্রার প্রাক মুহূর্তে, অন্যান্য যাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে, এই কারন দেখিয়ে বাচ্চাটিকে বিমানে উঠতে বাধা দেয় ইন্ডিগোর এক কর্মী। বিমানের এক যাত্রী পুরো ঘটনাটি একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরেন। ফেসবুকে পোস্ট করা যাত্রী দাবি করেন, অন্য যাত্রীরা শিশু এবং তার মা-বাবাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তাও নাকি সেই শিশু আর তার মা-বাবাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। এদিকে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে এই নিয়ে ঝামেলা চলে। এরপর অবশ্য ইন্ডিগো সেই তিনজনকে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় এবং সকালে পরবর্তী উড়ানে গন্তব্যে পৌঁছে দেয় । তবে ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষের এই অমানবিক আচরণে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সোশ্যাল মাধ্যমে। ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ভাবে সাফাই গেয়ে ইন্ডিগোর তরফে জানানো হয়, তাঁরা কোনও ভাবেই কারোর ক্ষেত্রেই পক্ষপাততুষ্ট আচরণ সমর্থন করেন না। শিশুটিকে হঠাৎ এইভাবে আচরণ করতে দেখে অনেক যাত্রীই ভ্রমণের সময় নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে পারতেন। তাছাড়া প্লেন ছাড়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা শিশুটির স্বাভাবিক আচরণের জন্য আমরা অপেক্ষা করছিলাম । কিন্তু শিশুটি এটতাই উদ্বিগ্ন ছিল যে শেষপর্যন্ত তাদের বিমানে চড়তে নেওয়া হয়নি।
গত শনিবার রাঁচি থেকে হায়দ্রাবাদ গামী ইন্ডিগো বিমানে, যাত্রার জন্য নিজের মা, বাবার সঙ্গে বিমানবন্দরে আসে এক বিশেষচাহিদা সম্পন্ন এক কিশোর। কিন্তু বেসরাকারী
বিমানের কর্মীরা কিশোরটিকে বিমানে চড়াতে দিলেন না। এই প্রসঙ্গে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। মন্ত্রী জানান, ঘটনার তদন্ত তিনি নিজে করবেন।একটি টুইট বার্তায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া লেখেন, ‘এই ধরনের আচরণের কোনও ভাবেই সহ্য করা হবে না। কোনও মানুষকেই এর মধ্য দিয়ে যেতে হবে না! আমি নিজে বিষয়টির তদন্ত করছি। তদন্ত শেষ হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রবিবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনাটির তদন্ত করছে। ডিজিসিএ প্রধান অরুণ কুমার সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন যে তারা ইন্ডিগোর কাছে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে।
ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক ভাবে সাফাই গেয়ে ইন্ডিগোর তরফে জানানো হয়, তাঁরা কোনও ভাবেই কারোর ক্ষেত্রেই পক্ষপাততুষ্ট আচরণ সমর্থন করেন না। শিশুটিকে হঠাৎ এইভাবে আচরণ করতে দেখে অনেক যাত্রীই ভ্রমণের সময় নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে পারতেন। তাছাড়া প্লেন ছাড়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা শিশুটির স্বাভাবিক আচরণের জন্য আমরা অপেক্ষা করছিলাম । কিন্তু শিশুটি এটতাই উদ্বিগ্ন ছিল যে শেষপর্যন্ত তাদের বিমানে চড়তে নেওয়া হয়নি।
বিমানের এক যাত্রী পুরো ঘটনাটি একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরেন। পরে তা ভাইরাল হয়ে যায়। ফেসবুকে পোস্ট করা যাত্রী দাবি করেন, অন্য যাত্রীরা শিশু এবং তার মা-বাবাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু তাও নাকি সেই শিশু আর তার মা-বাবাকে বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। এদিকে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে এই নিয়ে ঝামেলা চলে। এরপর অবশ্য ইন্ডিগো সেই তিনজনকে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় এবং সকালে পরবর্তী উড়ানে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক ক্রমে বেড়ে চলেছে।
❤ Support Us







