- দে । শ
- মার্চ ১৫, ২০২৩
একবালপুরের সাম্প্রদায়িক উসাকানিতে ১৫তম অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এনআইএর নতুন চার্জশিট
২০২২ সালের অক্টোবরে একবালপুরে সাম্প্রদায়িক উসকানি এবং সঙ্ঘাতে ১৫তম অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নতুন চার্জশিট জমা দিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, কলকাতায় বিশেষ এনআইএ আদালতে যে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটটি পেশ করা হয়েছে, তাতে অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে খিদিরপুরের বাসিন্দা মহম্মদ জিশান আকবরের।
দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে গোলমালের ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ১৪জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়। বিচ্ছিন্নতাকামীদের উসাকানিতে সেইসময় অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক শান্তি নষ্ট হয়, উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিবেশ। সেই ১৪জনের পাশাপাশি মহম্মদ জিশান আকবরের নামও উঠে আসে।তার বিরুদ্ধে সম্প্রীতি নষ্ট, এবং উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে ফৌজদারি ষড়যন্ত্রের মামলা দায়ের করেছে তদন্তকারী সংস্থা ।
গত বছরে এই ঘটনাটি ঘটে মোমিনপুরের ভূকৈলাশ রোডের আট নম্বর গলিতে। হামলা চালানো হয়েছে লাঠি, পাথর এমনকি পেট্রোল বোমা নিয়েও। গোলমাল চালানোর সময়ে এলাকার বিদ্যুতের সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেয় দুষ্কৃতীরা। এছাড়া পুলিশকর্মীদের ওপরও হামলা চালায়। স্থানীয় কয়েকটি যানবাহনও ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। প্রসঙ্গত, এই ঘটনার পরে ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি মামলা নথিভুক্ত হয় একবালপুর থানায়। এরপর গত বছরের অক্টোবর মাসেই এনআইএ পুনরায় মামলা নথিভুক্ত করে।
সূত্রের খবর, পঞ্চদশ অভিযুক্ত হিসেবে মহম্মদ জিশান আকবরের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ছটি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ১৯০৮ সালের এক্সপ্লোসিভ সাবট্যান্সেস অ্যাক্টেও। প্রসঙ্গত, এনআইএ প্রথম যে চার্জশিট পেশ করে, সেটি পেশ করা হয়ে্ছিল ওই গোলমালের ঘটনার তিনদিন পরে কলকাতার ১৭টি জায়গায় হানা দেওয়ার পরে্ই। সেইসময়ে এনআইএ তিন অভিযুক্তের বাড়িতে হানা দিয়ে্ ৩৩ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকাও বাজেয়াপ্ত করে। মহম্মদ সালাউদ্দিন সিদ্দিকী, জাকির হোসেন এবং টিপু নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে হানা দিয়ে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৩৩ লক্ষেরও বেশি টাকা। এছাড়া বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল ধারালো অস্ত্রও।
ঘটনার গভীরতা খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক হস্তক্ষেপ করে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে অধীনে থাকা সন্ত্রাসবাদ দমন বিভাগ এনআইএ-কে এই ঘটনার বিশদ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেয়। এছাড়া কলকাতা হাইকোর্টও ঘটনার তদন্তে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল।
❤ Support Us





