Advertisement
  • দে । শ
  • মার্চ ৩, ২০২৩

ভারত চিন সুসম্পর্ক স্থাপনে সীমান্তে শান্তি গুরুত্বপূর্ণ, বৈঠকে চিনা মন্ত্রীকে বললেন জয়শঙ্কর

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
ভারত চিন সুসম্পর্ক স্থাপনে সীমান্তে শান্তি গুরুত্বপূর্ণ, বৈঠকে চিনা মন্ত্রীকে বললেন জয়শঙ্কর

চিত্র: টুইটার

আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়া স্থাপনে দুই প্রতিবেশী ভারত ও চিন সীমান্ত ইস্যুতে কী অবস্থান নেবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল । সেই জল্পনার খানিক অবসান হল ভারতের বিদেশমন্ত্রী এবং চিনের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পরে ।

নয়াদিল্লিতে ইতিমধ্যেই এপ্রসঙ্গে দু’দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়েছে । এরপর ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিবৃতি দিয়ে জানালেন, চিনের বিদেশমন্ত্রী কুইন গ্যাংয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, কীভাবে দু’দেশের যৌথ উদ্যোগে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা যাবে ।

২০২০ সালে সীমান্ত ইস্যুতে ভারত ও চিনের সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি হয়। গালওয়ানে দুদেশের সেনাদের ভিতর ধস্তাধস্তি হয়। এরপর ২০২২ সালের ডিসেম্বরেও অরুণাচল প্রদেশে দু’দেশের সেনার হাতাহাতি হয়েছে ফের ।

উত্তেজক এই পরিস্থিতিতে দরকার শান্তি ফেরানো । অন্তত ভারত তাই মনে করে । টুইট করে একথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ।
চিনের বর্তমান বিদেশমন্ত্রী কুইন গ্যাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন বিদেশমন্ত্রী হওয়ার আগে । অন্যদিকে, গত দুবছর ধরে চিন-ভারত সীমান্ত সংক্রান্ত যে জটিলতার উদ্ভব হয়েছে, এ বিষয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জয়শঙ্কর । তিনি বলেছেন, আমরা খোলাখুলিভাবে আলোচনা করেছি । প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত জি ২০ বৈঠকে সেইসময়ের চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের করে চিনের পরবর্তী বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে এটি দ্বিতীয় বৈঠক জয়শঙ্করের।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২০ সালে গালওয়ানে চিন ও ভারতীয় সেনাদের রক্তক্ষয়ী ঘটনার পরেও চিন-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা এখনও টানটান । জি ২০তে দুদেশের সামরিক উত্তেজনা আদৌ প্রশমিত হবে কিনা তাই দেখার ।

২০২০ সালের মে খেকে ভারত ও চিন দু’দেশই সেনা মোতায়েন করে রেখেছে পূর্ব লাদাখের এলাধিক এলাকায় । এরপর সামরিক এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে ভারত ও চিনের একাধিকবার আলোচনার পরেও এপর্যন্ত সমস্যার সমাধান হয়নি ।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!