- দে । শ
- এপ্রিল ২৪, ২০২৩
কালিয়াগঞ্জে নিহত কিশোরীর বাড়িতে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ফের উঠলো প্রশ্ন। শুরু শাসক বিরোধী তরজা
১৭ বছরের এক কিশোরীর ধর্ষণ এবং হত্যার ঘটনায় উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ।পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পুলিশদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন তারা।কিশোরীর ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ২০ বছরের এক তরুণকে গ্রেফতার করে পুলিশ।অঞ্চলের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ১৪৪ ধারা জারি করছে স্থানীয় প্রশাসন।
এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হওয়ার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের একটি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। ওই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো। কানুনগো ও প্রতিনিধিদলের দলের অন্য তিন সদস্য মৃত কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন।এরপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশের গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়াঙ্ক কানুনগো।তিনি বলেন, মৃত তরুণীর পরিবারের সদস্যদের বয়ান এপর্যন্ত রেকর্ড করেনি পুলিশ।এদিকে ঘটনাস্থলে কানুনগোর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন। রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন অনন্যা চক্রবর্তী বলেছেন, জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের সদস্যদের মৃত তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কোনও যৌক্তিকতা নেই। রাজ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই ওঁরা ওখানে গিয়েছেন। তাছাড়া কালিয়াগঞ্জে্ যাওয়ার আগে ওঁরা রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনকে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানাননি।
এনিয়ে তৃণমূল বনাম বিজেপির মধ্যে তরজা চলেছে। বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ওই তরুণীকে খুনের ঘটনার পরে স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদে সামিল হওয়ায় উল্টে তাঁদেরই পিটিয়েছে পুলিশ। জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের ঘটনাস্থলে যাওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, ওই তরুণীর মৃত্যু দুভার্গ্যজনক ঘটনা। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামলেও বিজেপি এখন ঘোলাজলে মাছ ধরতে চাইছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এলাকার মানুষকে প্ররোচিত করছে বিজেপি। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে জাতীয় মহিলা সুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সনের নেতৃত্বে ওই প্রতিনিধিদল সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে এলাকায় গিয়েছেন। কার্যত ওঁরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেছেন।
❤ Support Us







