- এই মুহূর্তে দে । শ
- জানুয়ারি ৮, ২০২৫
অসমের কয়লাখনি থেকে ১ শ্রমিকের দেহ উদ্ধার, বাংলার ছেলে সহ আটকে আরো ৮
ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) সহ একাধিক সংস্থা বুধবার আটকে পড়া বাকি আট শ্রমিককে উদ্ধারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে।
অসমের দিমা হাসাও কয়লাখনি থেকে উদ্ধার এক নাবালক শ্রমিকের দেহ। তবে এখনো ওই খনির মধ্যে আটকে বাকিরা। তাঁরা জীবিত, না খনির মধ্যেই মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তাঁদের উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে উদ্ধারকারী দল। সোমবার আচমকা হরপা বানে প্লাবিত হয়ে যায় ওই খনি। ৩০০ ফুট গভীর ওই অবৈধ খনিতে কাজ করতে নেমেছিলেন তাঁরা। খবর অনুযায়ী, খনির ভিতরে প্রায় ১০০ ফুট পর্যন্ত জলে ভরে গিয়েছে। সেদিনই রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তবে উদ্ধারকাজের প্রক্রিয়া জটিল হওয়ায় অসমের মুখ্যমন্ত্রী সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছিলেন। মঙ্গলবার অসম রাইফেলের বিশেষ ‘পাথফাইন্ডার ইউনিট’ ঘটনাস্থালে পৌঁছায়। খনির মধ্যে নামানো হয় বিশেষ ডুবুরি।
আজ ১ নাবালক শ্রমিকের দেহ উদ্ধারের বিষয়টি সুনিশ্চিত করে হেমন্ত বিশ্বশর্মা পোস্ট করে জানিয়েছেন, “২১ প্যারা ফোর্সের ডুবুরিরা কূপের নিচ থেকে একটি প্রাণহীন দেহ উদ্ধার করেছে। আমাদের সমবেদনা ও প্রার্থনা শোকাহত পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।” মৃত শ্রমিক নাম গঙ্গা বাহাদুর স্রেস্তো নেপালের বাসিন্দা। বাকি শ্রমিকদের সন্ধানে উদ্ধার কাজ চলছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর শক্তিশালি পাম্প দিয়ে খনির জল বের করছেন। ওএনজিসির আধুনিক জল নিষ্কাশন পাম্প হেলিকপ্টারে চাপিয়ে ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে বলেও জনা যাচ্ছে। কয়লামন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি জানিয়েছেন, বুধবার থেকে কোল ইন্ডিয়ার একটি দলকেও উদ্ধারকাজে লাগানো হবে । খনিতে ঢোকবার চেষ্টা করছে নৌ বাহিনীর বিশেষ উদ্ধারকারী দল। তবে জলস্তর ক্রমশ বাড়ছে। শেষ পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে, খনিতে জলস্তর ১০০ ফুট উঠে এসেছে। যাতে শ্রমিকদের বেঁচে থাকা নিয়ে আশঙ্কার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
অসমের কয়লা ও খনি মন্ত্রী কৌশিক রায় বলেছেন, ‘উদ্ধার অভিযান চলছে। এসডিআরএফ, এনডিআরএফ, অসম রাইফেলস, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর বিপর্যয় মোকাবিলা দল এখানে রয়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনাও মোতায়েন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সমগ্র পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। আটকদের উদ্ধারের জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা চলছে।’
সোমবার খনিতে আটকে পড়া শ্রমিকের সংখ্যা ১৫-২০ বলে অনুমান করা হয়েছিল। যদিও অসমের মুখ্যমন্ত্রী ৯ জন শ্রমিকের তালিকা প্রকাশ করেন। ওই তালিকায় রয়েছেন জলপাইগুড়ির বাসিন্দা সঞ্জিত সরকার। নেপালের বাসিন্দা গঙ্গা বাহাদুর স্রেস্তোর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আটকে পড়া বাকি ৭ জন অসমের। হাহাকার উঠেছে শ্রমিক পরিবারগুলিতে।
❤ Support Us







