- স | হ | জ | পা | ঠ
- মার্চ ২২, ২০২৩
বৃহস্পতিবার থেকে মাস ব্যাপী রমজানের উপবাস
নির্দিষ্ট তারিখের স্থিরতায় অনিশ্চয়তার উৎস কী ?
চিত্র: সংবাদ সংস্থা
আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকে মাসব্যাপী রমজানের উপবাস আরম্ভ হবে, বিশ্বজুড়ে। পবিত্র মাস। প্রাক ইসলামি যুগ থেকে আরবে খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের মধ্যে উপবাস করার রেওয়াজ ছিল। আরব হানিফরা রমজানে রোজা রাখতেন। ১৪০০ বছর আগে রমজানের উপবাসকে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়। কোরানের প্রথম দিককার প্রত্যাদেশে নির্দেশ আসে, নীরোগ প্রতিটি মুসলিমকে রোজা রাখতে হবে।
‘রমজান’ শব্দটি প্রাচীন সিরিয়া থেকে আরবি ভাষায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সিরিয়া কৃষি অধ্যুষিত অঞ্চল ছিল। মক্কার আরব বণিকদের সঙ্গে এখানকার যোগাযোগের ভুরি প্রমাণ রয়েছে। মদিনাও কৃষি অধ্যুষিত এলাকা। মক্কা থেকে মদিনায় মহাপুরুষ মহম্মদ(স) এর হিজরতের পর ওই এলাকায় ইসলামের প্রভাব বাড়ে। ওখানকার ইহুদি ও খ্রিষ্টানরা উপবাসে অভ্যস্ত ছিল।
মুসলিমরাও কোরানের প্রত্যাদেশে একমাস জুড়ে উপবাস পালন শুরু করেন। শুরু হওয়ার আগের দিন, যেখানে চাঁদ দেখা যায়, সে অঞ্চলেই উপবাস ব্রত আরম্ভ হয়। প্রায়ই অঞ্চলভেদে দিনের তারতম্য দেখা দেয়। দুই ইদেও এরকম। মুসলিম সমাজের এ এক অভ্যন্তরীণ সমস্যা। রাষ্ট্র কিংবা সমাজ এই সমস্যার সুরাহা খোঁজে নি কেন? বারবার এ প্রশ্ন ওঠে। যে কোনো কৃষিভিত্তিক সমাজের ব্রত কিংবা উৎসবের মতো ইসলামি পর্ব-পার্বনেও চন্দ্রবর্ষীয় ক্যালেণ্ডারকে অনুসরণ করা হয়য়। সমাজতাত্ত্বিকদের অনুমান, একারণেই রমজানের উপবাস পালনের দুই ইদের নির্দিষ্ট তারিখ জানা যায় না।
❤ Support Us








