Advertisement
  • এই মুহূর্তে
  • জুন ১৩, ২০২২

রেণুর নতুন জীবন শুরু, বাঁ হাতই এখন সম্বল তাঁর।

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে নির্যাতিতাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন পূর্ব বর্ধমানের সাহসী কন্যা।

রেণুর নতুন জীবন শুরু, বাঁ হাতই এখন সম্বল তাঁর।

হাসপাতাল থেকে ঘরে ফিরলেন পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চিনিসপুরের মেয়ে রেণু খাতুন। যাঁর ডান হাতের কব্জি কেটে দেওয়ার অভিযোগ তাঁর স্বামী শের মহম্মদের বিরুদ্ধে। বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার সময় রেণু জানিয়ে দিয়েছেন, আবার নতুন করে লড়াই শুরুর কথা। সুস্থ হলে চাকরিতেও যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত ৪ জুন অর্থাৎ শনিবার দুর্গাপুরের ওই বেসরকারি হাসপাতালে গুরুতর জখম অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছিল রেণুকে। ওই রাতেই তাঁর ডান হাতের কব্জি কাটা যায়। চিকিৎসকরা রেণুর হাতে অস্ত্রোপচার করেন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই বাঁ হাতে লেখা শুরু করে দেন তিনি। সোমবার রেণুর ছুটি হল হাসপাতাল থেকে। হুইল চেয়ারে বসিয়ে রেণুকে হাসপাতাল থেকে বার করে আনেন তাঁর আত্মীয়রা। এর পর গাড়িতে চড়ে তিনি রওনা বাপের বাড়ির উদ্দেশে। তিনি বলেন, ‘এত দিন পর যুদ্ধ জিতে বাড়ি ফিরতে পেরে ভাল লাগছে। খুব আনন্দ হচ্ছে। সুস্থ হলেই আমি চাকরিতে যোগ দেব। পাশাপাশি কৃত্রিম হাতও লাগাব। তবে সেটা মাস তিনেক পর। আমার ইচ্ছা আছে যাঁরা আমার মতোই নির্যাতিতা তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর। তাঁদের জন্য লড়াই করার। এটা আমার কাছে অন্য একটা লড়াইয়ের ক্ষেত্র। সেটা করতে চাই।’

রেণুর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে পূর্ব বর্ধমানের কোনও হাসপাতালে চাকরি দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রেণু বলছেন, ‘সরকার আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া অনেকেই আমাকে সাহায্য করেছেন। আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমার ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই।’


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!