Advertisement
  • মা | ঠে-ম | য় | দা | নে
  • ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে সার্ভিসেসকে হারিয়ে সন্তোষের ফাইনালে বাংলা

আরম্ভ ওয়েব ডেস্ক
টানটান উত্তেজনার ম্যাচে সার্ভিসেসকে হারিয়ে সন্তোষের ফাইনালে বাংলা

সন্তোষ ট্রফিতে খরা কাটানোর দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বাংলা। তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনালে সার্ভিসেসকে ৪–২ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের ছাড়পত্র পেয়ে গেল সঞ্জয় সেনের দল। জোড়া গোল করে বাংলার জয়ের নায়ক রবি হাঁসদা। বাংলার হয়ে বাকি গোল দুটি করেন মনোতোষ মাঝি ও নরহরি শ্রেষ্ঠা। সার্ভিসেসের হয়ে একটা গোল করেন বিকাশ থাপা। অন্য গোলটি জুয়েল আমেদ মজুমদারের আত্মঘাতী।
বাংলার কাছে ফাইনালে ওঠার রাস্তা একেবারেই সহজ ছিল না। সেমিফাইনালের প্রতিপক্ষ সার্ভিসেস গতবারের চ্যাম্পিয়ন। শক্তিশালী সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে এদিন অবশ্য দাপটের সঙ্গেই শুরু করেছিল বাংলা। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে সার্ভিসেসকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখছিলেন রবি হাঁসদা, নরিহরি শ্রেষ্ঠারা। আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখে ম্যাচের ১৭ মিনিটেই এগিয়ে যায় বাংলা। বাঁদিক থেকে উঠে এসে সেন্টার করেছিলেন ইসরাফিল দেওয়ান। বল সঠিকভাবে বিপদমুক্ত করতে পারেনি সার্ভিসেসের ডিফেন্ডাররা। বক্সের বাইরে পেয়ে যান মনোতোষ মাঝি। তাঁর দুরন্ত শট সার্ভিসেসের জালে জড়িয়ে যায়। বাংলার কোচ সঞ্জয় সেন তাঁকে প্রথম একাদশে রেছে যে ভুল করেননি, প্রমাণ করে দিলেন মনোতোষ।
প্রথমার্ধের শেষলগ্নে বাংলার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে সার্ভিসেস। ইনজুরি সময়ের ২ মিনিটেই ২–০ করেন রবি হাঁসদা। নরহরি শ্রেষ্ঠার উঁচু পাস ধরে ঠান্ডা মাথায় সার্ভিসেস গোলকিপারকে কাটিয়ে জালে পল পাঠান। ইনজুরি সময়ের চতুর্থ মিনিটে মনোতোষের থ্রু পাস থেকে ৩–০ করেন নরহরি। প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যায় বাংলা।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য অন্যছবি। ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় বাংলার ফুটবলাররা জয় নিশ্চিত ভেবে কিছুটা আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে ম্যাচে ফেরে সার্ভিসেস। ৫৩ মিনিটে সার্ভিসের হয়ে ব্যবধান কমান বিকাশ থাপা। এরপর বাংলার ওপর আরও আক্রমণের চাপ বাড়ায় সার্ভিসেস। সার্ভিসেসের আক্রমণের চাপে ভুল করে বসেন জুয়েল আহমেদ। ৭৩ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা সেন্টার বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন জুয়েল। ৩–২ হওয়ার পর সমতা ফেরানোর জন্য আরও মরিয়া হয়ে ওঠে সার্ভিসেস। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এসেও গোল পায়নি। অবশেষে ম্যাচের ইনজুরি সময়ে ইসরাফিল দেওয়ানের পাস থেকে ৪–২ করে বাংলার ফাইনালের ছাড়পত্র নিশ্চিত করেন রবি হাঁসদা।


  • Tags:
❤ Support Us
error: Content is protected !!